যশোর পৌরসভা নির্বাচন কাউন্সিলর পদে কে কত ভোট পেলেন

0
333

স্টাফ রিপের্টার : যশোর পৌরসভায় ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশ বিজয়ী হয়েছেন।
তিনি পেয়েছেন ৩২,৯৪০ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ আলী সরদার পেয়েছেন ১২,৯৪৭ ভোট। এছাড়া বিএনপির প্রার্থী মারুফুল ইসলাম মারুফ ৭,৩০২ ভোট পেয়েছেন। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পর গণনা শেষে রাতে ফল ঘোষণা করেন জেলার সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ। এদিকে, নির্বাচনে জয়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে সংরতি ও সাধারণ ওয়ার্ড মিলে ১২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে আওয়ামী লীগের ১০ জন ও বিএনপির ২ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সংরতি ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির আইরিন পারভীন ৪ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অর্চনা অধিকারী ২ হাজার ১৬৫, আয়েশা ছিদ্দিকী ২ হাজার ৫৪১, রেহেনা পারভীন ২ হাজার ১৪৬, সেলিনা খাতুন ৪২৪, রুমা আক্তার ৯৭৬, রোকেয়া বেগম ৯৪২, শাকিলা আফরোজ ১ হাজার ৭৯৭ ও সুফিয়া বেগম ১ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়েছেন। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নাসিমা আক্তার জলি ১৪ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী নাছিমা সুলতানা মহুয়া পেয়েছেন ৩ হাজার ১৮৫ ভোট। ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি ১০ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সালমা আক্তার বানী পেয়েছেন ৭ হাজার ৯০৭ ভোট। সাধারণ ১ নম্বর ওয়ার্ডে সদর উপজেলা যুবলীগের সদস্য সাহিদুর রহমান রিপন ৫ হাজার ১১৮ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন রাজিব ১ হাজার ৫৫৯ ও বিএনপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আহমেদ শাকিল ১ হাজার ৮৪৬ ভোট পেয়েছেন। ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির প্রার্থী শেখ রাসেদ আব্বাস রাজ ২ হাজার ১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের অনুব্রত সাহা ১৫৫, তপন কুমার ঘোষ ৪৬৭, ওসমানুজ্জামান ২৩১, জাহিদুল ইসলাম ৪৮০, শেখ সালাউদ্দিন আহম্মেদ ১ হাজার ১৪৮ ভোট পেয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের শেখ মোকছিমুল বারী অপু ১ হাজার ৬৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উম্মে মাকসুদা মাসু ৩১৮, ওমর ফারুক ৪৩, কামরুজ্জামান মিঠু ৬৫৫, বিএনপির সাব্বির মালিক ৯৫৯ ভোট পেয়েছেন। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জাহিদ হোসেন মিলন ৩ হাজার ৫৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তা ২ হাজার ৪৬৫ ও মঈন উদ্দিন মিঠু ১২১ ভোট পেয়েছেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগর অঙ্গ সংগঠন যুবলীগ নেতা রাজিবুল আলম ২ হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোকছেদুর রহমান ভুট্টো ৫৭৮, মিজানুর রহমান বাবলু ২৪৩, হাফিজুর রহমান ১ হাজার ৭৩৬, হাবিবুর রহমান চাকলাদার মনি ২৯৫ ও শরীফ আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন। এই ওয়ার্ডেই গত পৌর নির্বাচনে তাকে পরাস্থ করতে বহিরাগতদের এনে ভোটার মাঠে যেতে ব্যাপক বাঁধা দিয়েছিল শাহীন চাকলাদারের অনুসারিরা। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আলমগীর কবির সুমন ২ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এস এম আজহার হোসেন স্বপন ১ হাজার ৫২৭, আশরাফুল হাসান ৩৯৪, আনিসুজ্জামান ৯৫ ও আশরাফুজ্জামান ৭৪৬ ভোট পেয়েছেন।
৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের শাহেদ হোসেন নয়ন ১ হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কামাল হোসেন ১ হাজার ৮৯, আবু শাহজালাল মুনতাজ ৫২৮, গোলাম মোস্তফা ৮৭৭, জুলফিকার আলী ১ হাজার ৫৪৬ ও শাহেদ উর রহমান রনি ৯৯০ ভোট পেয়েছেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রদীপ কুমার নাথ বাবলু ২ হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ওবইদুল ইসলাম রাকিব ৫৯৭, সন্তোষ দত্ত ১ হাজার ১৫১ ও বিএনপির মনিরুজ্জামান মাসুম ১ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়েছেন। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবলু ২ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খন্দকার মারুফ হুসাইন ইকবাল ৫৯৪, আজিজুল ইসলাম ২ হাজার ২৮৬, আবু বক্কার সিদ্দিক ২৬১, শেখ শহিদ ১১০, শেখ নাসিম উদ্দিন পলাশ ৬১, শেখ ফেরদৌস ওয়াহিদ ৭৫৮ ও স্বপন কুমার ধর ১৯৭ ভোট পেয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here