পাটকেলঘাটা চোমরখালী ভায়া গোয়ালপোতা ১০ কি.মি রাস্তা আছে, উন্নয়নের ছোঁয়া নেই, জনসাধরণের ভোগান্তি চরমে!

0
272
Exif_JPEG_420

এস এম মজনু, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) থেকেঃ পাটকেলঘাটা চোমরখালী ভায়া গোয়ালপোতা এ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা। সরকার যায় সরকার আসে তবুও স্বাধীনতার ৫০ বছরে পাটকেলঘাটার দক্ষিণ জনপদের সড়কগুলোর ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি।
সরেজমিন ঘুরে ও তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পাটকেলঘাটা থানা সদরের সাথে চোমরখালী ভায়া সাতক্ষীরা সদর গোয়ালপোতা সড়কের সংযোগ রয়েছে। ইরি বোরো মৌসুমে সাতক্ষীরা সদর থানার ব্রহ্মরাজপুর, ধূলিহর ইউনিয়নের ছআনী, খড়িডাঙ্গা, দশআনী, গোয়ালপোতা এলাকার চাষীরা বাণিজ্যকেন্দ্র পাটকেলঘাটা বাজারে গরুর গাড়ি বোঝায় দিয়ে ধান আনতো। যা বর্তমানে ইঞ্জিনভ্যান, ট্রলি, ট্রাকে বোঝায় দিয়ে ধান বহন করতে হয় কৃষকদের। এলাকার শত শত ছাত্র-ছাত্রী কুমিরা মহিলা কলেজ, পাটকেলঘাটা কলেজ, খুলনা বিশ্ববিদ্যাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহন করে থাকে। হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বহন করতে হয় এই সড়ক দিয়ে চাষীদের। কিন্তু দুঃখের বিষয় বর্ষা মৌসুমে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয়। অসুস্থ্য রোগীদের এই ১০কি.মি. পথ পাড়ি দিতে সীমাহীন দূর্ভোগের স্বীকার হতে হয়। পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া, নগরঘাটা, খলিষখালী ইউনিয়ন সাতক্ষীরা সদর থানার ব্রহ্মরাজপুর, ধূলিহর এ পাঁচটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্বাধীনতার পর থেকে সংসদ সদস্যরা এ সড়কের উন্নয়ন করে নাই। সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ আনছার আলী, ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ কামাল বখত্ সাকী, বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, বর্তমান সংসদ সদস্য ওয়ার্কাস পার্টির নেতা এ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ পাটকেলঘাটার দক্ষিণাঞ্চলে চোমরখালী গোয়ালপোতা সড়কের কোনো উন্নয়ন করে নাই বলে সরেজমিনের সূত্রে দেখা গেছে। গ্রীষ্ম মৌসুমে ধূলা আর বর্ষা মৌসুমে হাঁটু কাদা। কোথাও আবার বড় বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয় পথচারীদের। খলিষখালী ইউনিয়নের বড় গাছা গ্রামের বরুন সরকার প্রতিবেদককে জানাই স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমার এলাকার হাজার হাজার মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়েছি। কিন্তু কোন সংসদ সদস্য এলাকার উন্নয়ন করে নাই। খলিষখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মোজাফফর রহমান কয়েকটি রাস্তায় ইটের সলিং করেছে। বৃষ্টি পানিতে এবং যানবাহন চলাচলের কারনে টেকসই হয়না। এ সড়কটি পিচ করার দাবী উঠেছে। এদিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল চোমরখালী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক মতবিনিময় সভায় এ সড়কটি পাকা করনের ওয়াদা করেছিলেন তাও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা লুৎফুল্লাহ নিজেই চোমরখালী আমতলারডাঙ্গা, গড়েরডাঙ্গা এলাকা ঘুরে সড়কটি পাকা করনের ওয়াদা করেছিলেন। কিন্তু টেন্ডার হওয়ার পরেও দীর্ঘ ৮ মাসে এখনো সড়কটি পাকা করনের কাজ শুরু হয় নি। আমাদের প্রতিবেদক এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য মোস্তফা লুৎফুল্লাহের কাছে জানতে চাইলে তিনি কাজ শুরু হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here