আদালত ৭ জুলাই পর্যন্ত আদালত বন্ধ

0
381

যশোর ডেস্ক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউনের মধ্যে দেশের সব আদালত ৭ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকছে। বুধবার সরকার লকডাউনের বিধি-নিষেধ আরোপের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। বৃহস্পতিবার থেকে প্রাথমিকভাবে এক সপ্তাহের লকডাউন জারি করা হলেও প্রয়োজনে সময় বাড়ানো হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হলেই শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার। এই সময়ে জরুরি সেবার দপ্তর ও ব্যাংক সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। আদালতের েেত্রও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় প্রত্যেক মুখ্য বিচারিক হাকিম বা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে একজন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী জেলা বা মহানগরে মুখ্য বিচারিক হাকিম বা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এক বা একাধিক হাকিম স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সর্বোচ্চ আদালতের আপিল ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারিক কাজও সীমিত পরিসরে চলবে বলে জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অধস্তন আদালত সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে উক্ত সময়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন করা যাবে।” ‘দ্য নেগোশিয়্লে ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১সহ যে সব আইনে মামলা কিংবা আপিল দায়েরের েেত্র সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত আছে, সে সব আইনের অধীনে মামলা বা আপিল শারীরিক উপস্থিতিতে আদালত খোলার সাত দিনের মধ্যে করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। অধস্তন আদালতে বিচারক এবং আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থল না ছাড়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। হাই কোর্ট বিভাগে তিনটি ভার্চুয়াল বেঞ্চ চলবে জানিয়ে আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “রিট ও দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি সংক্রান্ত একটি করে মোট তিনটি বেঞ্চ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে অতীব জরুরি বিষয়ে শুনানি করবেন।” সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবী ও বিচারপতিদের না আসার অনুরোধ করা হয়েছে। আপিল বিভাগ ও চেম্বার আদালতের বিচারকাজও সীমিত পরিসরে ভার্চুয়ালি চলবে জানিয়ে আরেক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর মধ্যে ৬ ও ৭ জুলাই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিলের শুনানি হবে। তিন মাস আগে মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে দেশের সব আদালতের স্বাভাবিক বিচারকাজ অর্থাৎ শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ বন্ধ করে ভার্চুয়াল আদালত দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এরপর গত ২০ জুন সব অধস্তন আদালতে স্বাভাবিকভাবে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ চালানোর সিদ্ধান্ত দেয়। সে অনুযায়ী আদালত খোলার ১১ দিনের মাথায় আবার বন্ধের ঘোষণা এ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here