জসিম উদ্দিন : যশোরের শার্শা উপজেলা জুড়েই বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ কোম্পানির প্যারাসিটামল গ্রুপের বহুল প্রচালিত নাপা ট্যাবলেট মিলছে না ফার্মেসি গুলোতে। প্রতিটি দোকানে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় একই দৃশ্য ফলে এক প্রকার নাপা শূন্যতায় ভাসছে ফার্মসী গুলো। সাধারণ জর কিংবা ডাক্টারের প্রেসক্রিপশনে লেখা ‘নাপা’ ট্যাবলেট ওষুধ ফার্মেসিতে না পেয়ে বিপাকে পড়ছেন ঔষধ ক্রেতা বিক্রেতারা। উপজেলার প্রতিটি ছোট-বড় ওষধের দোকানে নাপার খোঁজ নিতে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেলেও মিলছেনা কাঙ্তি ট্যাবলেটটি।
এদিকে কিছু কিছু ঔষধের দোকানে নাপা মিললেও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই। ক্রেতারা দোকানে গেলেই বলা হচ্ছে নাপা ট্যাবলেট নাই।
এ বিষয়ে কয়েকজন ফার্মেসি দোকান মালিকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, ঔষধ কোম্পানির সাপ্লাই না থাকাই দু’মাস ধরে আমরা নাপা পাচ্ছি না। কিন্তু নাপা ট্যাবলেট ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে ভরপুর। অনেকেই মনে করছে একটু জর বা মাথা ব্যাথা হলেই যেন নাপা খেতে হবে। এমন টা অনুভূতি রয়েছে তাদের মধ্যে।ডাক্তার মিলন হোসেন বলেন, এটা ঠিক না যে ঠান্ডা বা জর হলেই নাপা খেতে হবে। অন্য ঔষধ রয়েছে সেটা খেলেও একই কাজ করবে। কোম্পানিকে একাধিকবার অর্ডার দেবার পরেও আমরা নাপা ট্যাবলেট পাচ্ছি না। তবে নাপা শূন্যতার পূরণের জন্য কিন্তু প্যারাসিটামল গ্রুপের অন্যান্য কোম্পানি ট্যাবলেট রয়েছে। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির ‘নাপা’ ট্যাবলেই যে নিতে হবে তা নয়। নাপার বিপরিতে মার্কেটে বিভিন্ন ট্যাবলেট ও সিরাপ রয়েছে। সুতরাং নাপার শূন্যতায় হতাশার কোন কারণ দেখছিনা বলে জানান তিনি।














