যশোর ডেস্ক : বাংলাদেশ করোনার টিকা তৈরি করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় গণভবন থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মহামারীর সময় কিছু শ্রেণী তাদের আর্থিক লাভ-লোকসানের দিকে যতবেশি তাকায়, মানুষের দিকে অত তাকায় বলে আমার মনে হয় না। শুধু আমার দেশে বলে না, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এটা ল্য করি। যে কারণে এবারের অধিবেশনে টিকা সার্বজনীন করার জন্য বলেছি। সেই সঙ্গে এটাও বলেছি, বাংলাদেশ টিকা তৈরি করতে প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, আমি ইতোমধ্যে ১০ একর জায়গা নিয়ে রেখেছি। সার্বিক ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যে টিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট ও ডব্লিউএইচও’র সঙ্গে আলোচনা করেছে। আমরা বলেছি, আমরা ফর্মূলা চাই। আমরা সিড চাই এবং আমরা বাংলাদেশে এটা (টিকা তৈরি) প্রস্তুত করতে পারবো।
তিনি বলেন, দীর্ঘ দুই বছরের করোনা পরিস্থিতির পর প্রথম কোনো সম্মেলনে আমি অংশ নিয়েছি। জাতিসংঘের অধিবেশনে বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি, টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু, নারীর মতায়নের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা ও এর স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। এর ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশা করি। এছাড়াও এবারের অধিবেশনে সমতা ও অন্তর্ভুক্তি, বর্ণবাদ, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট তথা এসডিজি, পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান।
নির্বাচন কমিশন কিভাবে গঠিত হবে এবং ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার কি করছে, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা তো বেশ কয়েকটি নির্বাচন দেখলেন। সর্বশেষ নির্বাচনে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। তবে অনেকে নির্বাচন নষ্ট করতে চায়। এরপরও নির্বাচন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি যে নির্বাচন নিয়ে এতো প্রশ্ন তোলে, তাদের জন্মটা কিভাবে? তারা কি কখনো জনগণের দাবি আদায়ে কোনো আন্দোলন করেছে? তারা জানে নির্বাচনে তাদের কোনো সম্ভাবনা নেই। এ কারণেই তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা কথা বলছে। তাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দেবে কেনো? তাদের এটা জিজ্ঞাসা করেন। তারা মতায় আসার পর মানুষ কি পেয়েছে? কোনো সম্ভাবনা নেই, কোনো সুবিধা পাচ্ছে না বলেই নির্বাচন নিয়ে বিএনপির এত ােভ।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান কেন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমরা ইতোমধ্যে বোয়িংয়ের ড্রিমলাইনারসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিমান সংগ্রহ করেছি। এছাড়াও বিমান আন্তর্জাতিক নিয়ম সামনে রেখে আমরা কিছু আইন প্রণয়ন করেছি। আশা করছি, নিউইয়র্কসহ আরও বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরে আমাদের বিমান নামবে।















