জন্মনিবন্ধনে চরম দুর্ভোগে গ্রাহকেরা

0
266

বেনাপোল প্রতিনিধি ঃ জন্মনিবন্ধনে চরম দুর্ভোগে গ্রাহকেরা। পরিত্রানে ভিন্নভাবে প্রশাসনের হস্তপে চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বিস্তর অভিযোগ করেছেন তারা। অনেকেই বলেছেন জীবন জিবিকা ও দেশ জাতির কল্যানে জন্মনিবন্ধন প্রয়োজন আছে। তাই বলে জাতিকে হয়রানি হতে হবে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। অর্থ খোয়াতে হবে ঝামেলা এড়াতে ঝরে পড়বে শিার্থী। কলঙ্কিত হবে জাতি এমনটা চাইনা কেহ। আজ কেন প্লেকার্ডহাতে রাস্তায় নামবে মানুষ। ডিজিটাল দেশ। বাড়ছে মানুষের জীবন যাপনের মান। সরকারের সূদুর প্রসারি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান দেশের সচেতন নাগরিকেরা। জন্মনিবন্ধন এনালগ থেকে হচ্ছে ডিজিটাল বাড়বে স্বচ্ছতা। তবে এখন কেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে মিস ম্যানেজমেন্টের কারনে অতিষ্ট হবে দেশের মানুষ। পৌর ও গ্রাম এলাকায় করুন অবস্থায় পরিনত বিষয়টি। স্কুলে ভর্তি ও পরীার রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে চরম বিড়ম্ববায় পড়ছে অভিভাবক ও শিার্থীরা। সন্তানের জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে গেলেই বলা হচ্চে আগে করতে হবে ইংরেজি ও বাংলায় পিতা মাতার জন্মনিবন্ধন। গ্রামের মানুষ অতিষ্ট সিষ্টেমে। অভিযোগের যেন শেষ নেই। ভুক্তভোগীদের দাবী জন্মনিবন্ধনের সফটওয়ার সহজ করা দরকার। পিতামাতার প্রয়োজনে জন্মনিবন্ধন করবেন তারা। সন্তানের সংশোধনীতে পিতামাতার ভোটার আইডিকার্ডের নাম্বার সার্চ করে নাম ঠিকানা সংযুক্ত করেই করা হোক জন্ম নিবন্ধন। সন্তান ও পিতামাতার নাম ঠিকানার সাথে নিজের সঠিক নাম ও জন্মতারিখ করা হোক সহজ উপায়ে। সরকারের সুন্দর ও সার্থক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হোক চান সচেতন নাগরিকেরা। তবে জন্মনিবন্ধনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কাম্যনয় কারো। প্রবাদ বাক্যে বলে যতদোষ নন্দঘোষ। পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চাহিদা অনুযায়ি অর্থদিয়ে করেছেন ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন। পেয়েছেন নিবন্ধন কার্ড। এসব অধিকাংশ জন্মনিবন্ধন নং সাপোর্ট নিচ্ছেনা সফটওয়ারে। নেই এন্টি। জনসাধারনের প্রশ্ন তাহলে এটা কি অনিয়ম দুর্নীতি দায়িত্বহীনতা ও হয়রানি নয়। এ দায় কার কে নেবে দোষ। কে দেখবে জন্মনিবন্ধনে বোবা কান্না। এখানে জানিনা কার কোন সমস্যা। সমাধানে আছে কি পরামর্শ। তবে জনবান্ধব সরকারের দৃষ্টিতে আসলেই দ্রূত সমাধানের আশাবাদ সর্বসাধারনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here