ডুমুরিয়ার মহাসড়কের পাশে কাঠ,জনভোগান্তি চরমে

0
292

গাজী আব্দুল কুদ্দুস,ডুমুরিয়া: মহাসড়কের পাশ দিয়ে ব্যবসায়ীরা কাঠ রাখায় জনসাধারণ রাস্তা চলাচলে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে। এত করে প্রতিনয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, মরচে মানুষ। বিভাগীয় শহর খুলনার প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আঁঠারমাইল-জিরোপয়েন্ট মহাসড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই মহাসড়ক দিয়ে কালিগঞ্জ-সাতীরা, কয়রা-পাইকগাছা, নওয়াপাড়া ও যশোরে যাওয়া আসার সব ধরণের যানবাহন চলাচল করে। এ কারণে সড়কটিতে গাড়ী চলাচলের চাপ একটু বেশি। তবে কোন ধরণের তদারকি না থাকায় মানুষ রাস্তা চলাচলে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে। দেখা গেছে, মহাসড়কের জিরোপয়েন্ট হতে আঁঠারমাইল বাজার পর্যন্ত সড়কের পাশ দিয়ে ২০/২৫টি সমিল ও প্রায় শতাধিক কাঠগোলা রয়েছে। ব্যবসায়ী ও সমিল মালিকেরা আইন কানুনের কোন তোয়াক্কা না করেই নিজেদের ইচ্ছামত যেখানে সেখানে কাঠ বোঝায় করে রেখেছে। তারা রাস্তার দু’পাশ দিয়ে কাঠের উচু স্তুপ করে রাখায় জন সাধারণের রাস্তা চলাচলে বিঘœ তো ঘটছে। সেই সাথে এ অঞ্চলের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বড় গাড়ি একে অপরকে বাইপাস করার সময় প্রচন্ড ঝুকি নিয়ে চলতে হচ্ছে। এ সড়ক দিয়ে প্রচুর ভ্যান, মটর চালিত ভ্যান, নসিমন-করিমন, ইজিবাইক, মাহেন্দ্র সহ অসংখ্য যান চলাচল করে। তাদেরকে বাইপাস করা বড় বড় গাড়ি গুলোর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে মহাসড়ক জুড়ে কাঠ রাখা হলেও এব্যাপারে কর্তৃপক্ষ একেবারে উদাসিন। যে কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, মরছে মানুষ। এ ব্যাপারে হাইওয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মেহেদী হাসান জানায়, আমরা ইতিমধ্যে কাঠগোলা ব্যবসায়ী ও সমিল মালিকদের মহাসড়কের পাশে কাঠ না রাখার জন্য অনুরোধ করেছি। অনেকে আমাদের অনুরোধ মেনে কাঠ সরিয়ে নিয়েছে। অনুরোধ করার পরও যারা এখনো মহাসড়কের পাশে কাটের স্তুপ রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি এবং অল্প দিনের মধ্যে মহাসড়কে কাঠ রাখা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here