সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার ও জাকজমকর্প পরিবেশে সাতীরার ৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে সাতীরা শীহদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ফিতা কেটে, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন এ মেলার উদ্বোধন করে প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সজীব খান, সাতীরার পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আরিফুর রহমান প্রমুখ।
এবারের গুড় পুকুরের মেলা ১৫ দিনের জন্য অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শেষ দিনে এই মেলা বসে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে বসে শত শত দোকান পাট। গ্রামীন লোকজ ঐতিহ্যের পশরা সাজিয়ে চলে বেচাকেনা। তিনশ’ বছর যাবত এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
এদিকে, মেলা উপলে শহর জুড়ে নেয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি। শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ককে সাজানো হয়েছে নান্দনিক রূপে। পার্কের পুরো জায়গা জুড়ে থাকছে বিভিন্ন প্রকার তিন শতাধিক স্টল। এ মেলা চলবে ১৫ দিন ব্যাপী। এ উপলে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার প থেকে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। মেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন। মেলা চলাকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রায় পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি র্যাবের টহল, আনছার ভিডিপি, স্কাউট, রোভার স্কাউট ও স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ থাকবে।
অন্যদিকে, শহরের পলাশপোল হাইস্কুলের সামনে লৌহজাত সমগ্রী, বাঁশ ও বেতের তৈরি জিনিস পত্র এবং প্রাণ সায়ের খালের পশ্চিম তীরে কাঠের তৈরি আসবাব পত্রের পশরা বসেছে। এছাড়াও থাকছে বিভিন্ন প্রকার ফলজ, বনজ ও ভেষজ ও পাতা বাহার গাছের সমাহার।
প্রসঙ্গত ঃ ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ মেলায় ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনার পর থেকে কয়েক বছর মেলা বন্ধ ছিল । এরপর ২০১১ সাল থেকে তা ফের চালু হয় মেলাটি। তবে মেলার সেই প্রাণময় দিনগুলি আর নেই। সীমিত পরিসরে মেলা শহরের আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বিগত কয়েক বছর ধরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।###















