দীপ্ত টিভির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি নাশকতায় মামলায় আটক

0
177

মনিরুজ্জামান জুলেট,শ্যামনগর সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরায় কর্মরত দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি রঘুনাথ খাঁ কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠার সাত ঘণ্টা পর তাঁকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে আটকের বিষয়টি দেবহাটা থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছেন।
দেবহাটা থানা পুলিশ জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় উপজেলার খলিশাখালী সাতমরা এলাকা থেকে তাঁকেসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে রঘুনাথ খাঁ দীপ্ত টেলিভিশনের ও বাংলা ’৭১ নামের একটি পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুরের গ্রামে। তিনি সাতক্ষীরা শহরের লস্কারপাড়ার ভাড়া বাড়িতে থাকেন।
সাংবাদিকসহ আটক তিনজনের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলা করেছেন দেবহাটা থানার উপপরিদর্শক লাল চাঁদ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন উপজেলার ঢেবুখালী গ্রামের রেজাউল করিম ও চালতেতলা এলাকার লুৎফর রহমান। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ ওবায়দুল্লাহ।
এর আগে রঘুনাথ খাঁকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী সুপ্রিয়া রানী খাঁ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড়বাজারের তিন রাস্তার মোড় থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁকে বহনকারী মোটরসাইকেল চালক আব্দুল কুদ্দুস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রঘুনাথ খাঁ খবর সংগ্রহের জন্য দেবহাটার খলিষাখালী এলাকায় যান। সেখান থেকে তিনি মোবাইল ফোন দিয়ে কিছু ছবি তোলেন। ফেরার পথে তিনি বড় বাজার থেকে কাঁচাবাজার করেন। বাজার নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শহরের পিএন স্কুলের সামনে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক তারেক। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে নামিয়ে অপর একটি মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান।’ রঘুনাথ খাঁর স্ত্রী সুপ্রিয়া রানী খাঁ বলেন, ‘খবর পেয়ে তিনি থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েছেন। তবে কোথাও রঘুনাথ খাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।’ রঘুনাথ খাঁর স্ত্রী আরও বলেন, ‘গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে একদল লোক কাঠিয়াস্থ তদের বাসায় এসে প্রথমে ডাকাডাকি করে। আমরা ভয়ে কোনো সাড়া না দিলে পরে তারা ভাঙা ইট মেরে চলে যায়।পরবর্তীতে সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here