অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : রোজা শুরু হয়েছে দু সপ্তাহ হলো তবে এখনো কাপড়ের বাজার জমেনি। বিক্রেতারা কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন মিলছে না ক্রেতার দেখা। প্রতি বছর রমজানে অভয়নগরের নওয়াপাড়া কাপড়ের বাজারে ক্রেতার চাপে ঢোকা যায় না। বিভিন্ন এলাকা থেকে খুচরা ক্রেতারা এখানে ভিড় জমান। তবে এবার ভরা মৌসুমেও ক্রেতার দেখা নেই, বেচাবিক্রিও কম। এদিকে বিক্রি কম থাকায় অলস সময় পার করছেন দোকানিরা। কেউ কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত। রোজার দ্বিতীয় সপ্তাহ যেতে চলেছে, আশানুরুপ ক্রেতা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন দোকানিরা। এই অবস্থা চলতে থাকলে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়েও সমস্যা হবে বলে জানান তারা।
বেচাবিক্রি কম কেন জানতে চাইলে ব্যবসায়ী মামুন হোসেন বলেন, এবার বাজারে বেচা বিক্রি আনেক কম। তেমন কেউই বিপণি বিতানে আসছে না। শবেবরাতের পরে যেসব কাপড় নিয়ে এসেছি, সেগুলো এখনও বিক্রি হয়নি। আবার কাপড়ের দামও আরও অনেক বেড়ে গেছে। দাম বেশি বলে এবার ক্রেতাদের আগ্রহ কম। মিলের কর্মকর্ত-কর্মচারীদের বেতন দিবো কীভাবে-চিন্তায় আছি।
সরজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানের কর্মীরা টুলে বসে আছেন। ক্রেতা না থাকায় দোকানের মালামাল ঠিকঠাক করছেন। কেউ কেউ আবার পাশের দোকানের বিক্রয়কর্মীর সঙ্গে গল্প করছেন। যেখানে ক্রেতাদের একের পর এক মালামাল দেখানো আর দরদাম নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সেখানে মোবাইল ফোনে সময় পার করছেন কর্মীরা। ক্রেতা দেখলেই করছেন ডাকাডাকি।
কাপড়ের দাম বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, এলসি জটিলতা ও ডলার সংকটের কারণে এ বছর রঙ, সুতা আমদানি করা যাচ্ছে না। কাপড়ের উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিক বেড়েছে। আবার দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির কারণে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের বেশির ভাগই তাদের ঈদের বাজারের লিস্ট ছোট করে ফেলায় ব্যবসা হচ্ছে না। ব্যবসা জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছি। সামনের দিনগুলোতে বিক্রি হবে কি না তাও বোঝা যাচ্ছে না।















