ভাত খাবা ভাতারের আর গীত গাবা নাঙ্গের বলে ঈগলের এজেন্টকে পিটালেন চেয়ারম‍্যান আবুল হোসেন

0
145
আনিছুর রহমান:- ছেলে নৌবাহিনীতে চাকুরী করার সুবাদে বিয়ের বয়স পূণা হওয়ায় চেয়ারম‍্যানের কাছে কাগজপত্র নিয়ে প্রত‍্যয়ন পত্র আনতে যায় ছেলের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা জহুরুল হক। এই জহুরুল হক ছিলেন ঈগল প্রতীকের এজেন্ট। তাই চেয়ারম‍্যানে রেগে যেয়ে জহুরুলকে উদ্দেশ‍্য করে বলেন ভাত খাবা ভাতারের আর গীত গাবা নাঙ্গের। এ কথা বলে  কাগজ পত্র ফেলে দেন। তখন জহুরুল হক বলেন, চেয়ারম‍্যান সাহেব এটা কি টিক হলো।  কথাটি বলতেই চেয়ারম‍্যান আরো রাগান্নিত হয়ে পরিষদের চেয়ার থেকে উঠে লোহার রড দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা জহুরুলকে পিটাতে থাকে। পাশে থাকা চেয়ারম‍্যানের সন্ত্রাসী বাহিনী মোখলেসুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, আফজাল খাঁ, সেলিম মেম্বারসহ কয়েকজন লোহার রড দিয়ে জহুরুলকে পিটাতে পিটাতে ও টেনে হেঁচড়ে পরিষদ থেকে প্রায় ১শ গজ দুরে পাঁকা রাস্তা পর্যন্ত নিয়ে আসে। এতে জহুরুল হকের ডান পা কেটে যায় ও লোহার রডের আঘাতে হাড় ভেঙ্গে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোলা জখম হয়। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দিয়ে মণিরামপুর হাসপালে ভর্তি করে। ঘটনাটি ঘটিয়েছে ১৫ জানুয়ারী সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে  মণিরামপুর উপজেলার ১০ নম্বর মশ্মিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম‍্যান আবুল হোসেন। আর আহত অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার জহুরুল হক হলেন চাকলা গাইনপাড়া গ্রামের আরশাদ আলী গাইন এর ছেলে। জহুরুল হক এর অপরাদ ছিলো সে নাকি সদ‍্য অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ইয়াকুব আলী এজেন্ট ছিলেন। আর চেয়ারম‍্যান আবুল হোসেন ছিলেন নৌকা প্রতীকের সক্রিয় কর্মি। যার কারনে চেয়ারম‍্যান আজ ঈগলের কর্মিকে এ ভাবে পিটালেন। আহত জহুরুল হক এর পরিবার সুত্রে জানায় এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখ‍্য ধুরন্ধার এই চেয়ারম‍্যানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপকর্মের অনেক অভিযোগ রয়েছে। তার পরও উদ্ধোতন কর্ত‍্পক্ষ কোন ব‍্যবস্থা গ্রহন করেননি। তাই চেয়ারম‍্যানের এই জঘন‍্যতম কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে চেয়ারম‍্যানের বিরুদ্ধে কঠিন ব‍্যবস্থা গহনের জন‍্য ইউনিয়নবাসী জোর দাবী জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here