স্টাফ রিপোর্টার কালিগঞ্জ ,(ঝিনাইদহ): ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়নের গ্রামীণ এলজিইডি রাস্তার অন্তর্ভুক্ত গাজীর বাজার থেকে দামোদারপুর বাজার অভিমূখে পান্তাপাড়ার মতিয়ার মোল্লার বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার দুপাশ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ২০ টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে । পান্তাপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা আজীম মোল্লার ছেলে আলীমুর রহমান ঠান্ডু সরকারি রাস্তার পাশে থাকাএই গাছ কেটে নিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়। রাস্তার দুপাশ থেকে কেটে নেওয়া গাছের মধ্যে রয়েছে মেহগুনি,আম ও শিশুগাছ,কড়ায়।তড়িঘড়ি করে অনেক গাছের গোড়া থেকে কেটে দ্রুত তা ঐ স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, কোলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের সময় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) কর্তৃক রাস্তার ধারে উক্ত গাছের চারা রোপন করা হয়েছিল। ঐ সময় লিখিত একটি শর্তে উল্লেখ করা হয়েছিল যথাযত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে রাস্তার পাশে রোপিত গাছ বিক্রির ৬০ শতাংশ টাকা পাবে ইউনিয়ন পরিষদ,জমির মালিক পাবে ২০ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ পাবে রক্ষনাবেক্ষনকারি। এ সংক্রান্ত একটি চুক্তিপত্র ইউনিয়ন পরিষদে জমা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়,গাছ কাটা শ্রমিকেরা দ্রুততার সাথে রাস্তার পাশের গাছগুলো কাটছেন। আর একদল শ্রমিক কাটা গাছ গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় গাছ বিক্রেতা আলীমুর রহমান ঠান্ডু জানান,এই গাছ আমাদের জমিতে আমরাই লাগিয়েছি।রাস্তা বড় হওয়ার কথা শুনছি, এ কারনে গাছগুলো বিক্রি করে দিয়েছি। কর্তৃপক্ষ সব জানে।
স্থানীয় বাসিন্দা মতিয়ার মোল্লা জানান,গাছগুলো রাস্তার। আজ দেখছি ঠান্ডু লোক দিয়ে গাছগুলো কাটছে। রাস্তার পাশের গাছ হলে সেটাতো সরকারি গাছই হওয়ার কথা।
কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান,রাস্তার গাছ কাটার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।তবে আমার জানামতে রাস্তার গাছ কাটতে হলে টেন্ডার বাদে কাটার কোন নিয়ম নাই। খোজখবর নিয়ে দেখতে হবে। তবে নিয়ম বহির্ভুতভাবে গাছ কাটা হলে তার দায়দায়িক্ত তাকেই বহন করতে হবে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, গাছ কাটার লোকেশন দেন।খোজখবর নিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার বিরুদ্ধে।















