বেনাপোল কাস্টমস হাউজের এসি নুরের যোগদানের পর আমদানী-রপ্তানীর গতিশীলতা বৃদ্ধি।পাসপোট যাত্রীদের খাত থেকে বেড়েছে রাজস্ব।

0
172

বেনাপোল  থেকে  এনামুলহকঃ বেনাপোল কাস্টম হাউজের পরীক্ষন গ্রুপ (৪) এর সহকারী কমিশনার আবু সালেহ আব্দুন নুরসহ অন্যান্য গ্রুপের সহকারী কমিশনাররা যোগদান করার পর থেকে বেনাপোল স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানীকৃত মালামাল বিশেষ করে গার্মেন্টস সামগ্রী, মেশিরনারী, ক্যামিকেল  মিল-ফ্যাক্টরীর কাচামাল আমদানী কাজের গতিশীল বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্রুততম সময়ে মালামাল ছাড় করন হচ্ছে। ফলে একারনে বন্দরে পন্যযট ও কমেছে। মদানীকারক ও সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্টরা স্বস্তিতে কাজ করে চলেছে। শিল্প কারখানার কাচামাল দ্রুত খালাসের কারনে আমদানীকারকরা উপকৃত হচ্ছে। অন্যদিকে কতিপয় আমদানীকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টরা অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ায় অনেকে তার বিরুদ্ধে বিরাগভাজন হয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তিনি দায়িত্ব পালনে  অনঢ় রয়েছেন। একই সাথে কোন আমদানীকারকরা যাতে অযথা হয়রানীর শিকার না হয় সেদিকে সজাগ রয়েছেন। তার এই স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতার কারনে রাজস্ব আয়  বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই বন্দরে আমদানী-রপ্তানীকারকরা ঝুকে পড়ছে। অপরদিকে এই কর্মকর্তার ব্যাপক প্রচষ্টোর ফলে বেনাপোল চেকপোষ্টে কাস্টমস এর রাজস্ব আয় বৃদ্ধি সহ পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৩ মাসে এ পথে  ভারত গমন যাত্রীদের নিকট থেকে ভ্রমন কর  থেকে সরকার প্রায় ৩৩  কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে । এসময় প্রায় ৩৫০০  ডি এম  (আটক মামলা ) হয়েছে।  বেনাপোল কাষ্টমস হাউজের সুয়োগ্য কমিশনারের আদেশ ক্রুমে ডিসি মির্জা রাফেজা সুলতানা ও এসি আবু সালেহ আব্দুর নুরের সম্বনয়ে একটি গঠিত কমিটির ডি এম, ও( ডি এম)এর পরবর্তী কার্যক্রুমে নিশ্চিত করেছে অধিকর ও গতিশিলতা। বর্তমানে ডি এম কৃত প্রতিদিনের মালামাল  একইদিনে বেনাপোল কাষ্টমস হাউজে  মুল গোডাউনে  ডি এম এর পরবর্তী কার্যক্রুমের জন্য প্রেরন করা হয়।   কাষ্টমস সুপার মোখলেছুর রহমান ও জাহাঙ্গীর আলমের এর নেতৃত্বে সঠিক তত্ববাধনের কারনে ঈর্ষনিয় রাজস্ব আয় হয়েছে সরকারের। সেই সাথে ভারত যাতায়াত বর্হিগমন ও আন্তগমন  পাসপোর্ট যাত্রী সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।বেনাপোল চেকপোষ্টে দেখা গেছে সেখানে কর্মরত কাস্টমস এরআরও কাস্টমস সিপাইরা সুপার  মোখলেছুর রহমান ও সুপার জাহাঙ্গীর আলমের এর নেতৃত্বে অত্যান্ত সতর্কতার সাথে পাসপোর্টযাত্রীদের ল্যাগেজ তল্লাশির কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া এখানে কোন বহিরাগত (দালাল) ও প্রবেশ নিশেধ। পাসপোর্ট যাত্রীদের পণ্য পারাপারের জন্য কোন বহিরাগত যাতে প্রবেশ করতে না পারে তারা জন্য ও রয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।চেকপোস্ট কাস্টমস সুপাররা আরো বলেন, ইতিপুর্বে এত পণ্য ডিএম (আটক) হয়নি। বর্তমান সুপার দুই জন ও ৮ জন কাস্টমস এ,আরও  (রাজস্ব সহকারী) সততা ও দৃড়তার সাথে কাজ করায় চেকপোষ্ট কাস্টমস এর সফলতা অর্জিত হয়েছে। এখানে রয়েছে কাস্টমস এ আরও মোঃ কাজী নাইম উদ্দিন, মোঃ  দিদারুল আলম ফারুকী, সরকার ইমরান ওয়াহিদ, জুলহাস উদ্দিন  সুমনা হক এ্যানি, কামরুন্নাহার, তানভির ও উচচমান সহকারী লিংকন। গত তিন মাস এসব অফিসার বেনাপোল চেকপোষ্ট কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্রে যোগদানের পর প্রায় ৩৩ কোটি   টাকার ভ্রমন কর  রাজস্ব আদায় করেছে। যা পাসপোর্ট যাত্রীদের মাধ্যেমে আসা রাজস্ব আয়ের রেকর্ড। এছাড়া একই সাথে প্রায় ৩৫০০   ডিএম ( আটক মামলা) হয়েছে। আটককৃত পণ্যর মধ্যে রয়েছে শাড়ী, থ্রিপিচ, কসমেটিক্স পণ্য, সহ বিভিন্ন আমদানি নিষিদ্ধ পন্য সামগ্রী। প্রেসার কুকার, রাইস কুকার, ওষধ সহ নানা ধরনের পণ্য।খুলনার পাসপোর্টযাত্রী  আঃ জলিল বলেন, বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারত গমন এখন চ্ছন্দবোধ করছি। কারন এর আগে এ পথে নানা ভাবে হয়রানি হতে হতো। এখন চেকপোস্ট দিয়ে আসলে তাদের কাছে যে কেনা কাটা থাকে তার জন্য কোন ঘুষ দিতে হয় না। তারা স্কানিংয়ে পণ্য দিয়ে বেরিয়ে আসে। তবে যার কাছে বেশী পণ্য থাকে তাকে ডেকে ল্যাগেজ খুলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।ঢাকার শরিফূল গাজী ও তার সাথে ভারতে ভ্রমণ এর কয়েকজন বেনাপোল চেকপোষ্টে আমাদের প্রতিনিধি এনামুলহককে  জানায়, তারা সাধারনত ভারত এর সাথে ব্যবসা করে। তাদের ক্রয়কৃত পণ্য এলসির মাধ্যেমে আনে। আর অনেক সময় ভারত থেকে এদেশে স্যাম্পল নিয়ে আসতে হয় মার্কেট যাচাই এর জন্য। এর আগে হয়রানির শিকার হয়েছি। বর্তমানে যে সব অফিসার আছে তাদের বিষয়টি বুঝালে তারা যাওয়ার অনুমতি দেয়।বেনাপোল চেকপোষ্ট কাষ্টমস সুপার মোখলেছুর রহমান বলেন, আমাদের রাষ্ট্রের কাজে বেনাপোল স্থল বন্দর কাস্টমসে পোষ্টিং দেওয়া হয়েছে। এ পথে দেশী বিদেশী অনেক পর্যটক যাতায়াত করে থাকে। রাষ্ট্রের মান সন্মান মর্যদা রয়েছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here