রাহাত আলী ,মনিরামপুর :যে বয়সে আদুরে কণ্ঠে বাবাকে ডেকে কোলে চড়ে বেড়ানোর কথা, সে বয়সে ছোট্ট শিশু আদৃতার কপালে এখন শুধু অনিশ্চয়তা আর ভয়ের মেঘ। মাত্র এক বছর বয়সী এই কন্যাসন্তানটি কি তবে হারিয়ে ফেলবে তার বাবাকে? এমন এক বুক কান্না আর চরম হাহাকার নিয়ে দিন কাটছে যশোরের মনিরামপুরের মাসুদুর রহমানের পরিবারে। ৩৩ বছর বয়সের তরুণ বয়সে এসে যুবকের দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে গেছে। এখন নিয়মিত ডায়ালাইসিসের ওপর ভর করে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন তিনি। জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন প্রায় ১৫ লাখ টাকা। কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা দিনমজুর বা মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ায় আজ দিশেহারা পুরো পরিবার।
মাসুদুর রহমান মনিরামপুর পাবলিক লাইব্রেরির গ্রন্থাগারিক জমিরুল ইসলামের বড় ছেলে। হাসিখুশি ও কর্মচঞ্চল একটি তরুণ কীভাবে চোখের পলকে শয্যাশায়ী হয়ে পড়লেন, তা যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাঁর বাবা-মা। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন রোগশোক যেন পুরো পরিবারের মাথার ওপর আকাশ ভেঙে পড়েছে। একদিকে প্রিয় সন্তানকে বাঁচানোর আকুল আকুতি, অন্যদিকে চিকিৎসার আকাশচুম্বী খরচ—সব মিলিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা জমিরুল ইসলাম।
চিকিৎsকরা জানিয়েছেন, মাসুদের দুটি কিডনিই পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপন না করলে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আর এই জটিল চিকিৎসায় আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার মতো প্রয়োজন।
ছেলের এই অবর্ণনীয় কষ্ট আর আদৃতার ভবিষ্যৎ চোখের সামনে ভেসে উঠলে বুক ফেটে কান্না আসে পরিবারের সদস্যদের। তাই শেষ আশার আলো হিসেবে সমাজের বিত্তবান, দয়াবান ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত মনিরামপুরের মানবিক মানুষদের দ্বারে দ্বারে হাত পেতেছেন তাঁরা। একটু সহানুভূতি আর সামান্য সহযোগিতাই পারে তরুণ মাসুদকে তাঁর ছোট্ট শিশুর কোলে ফিরিয়ে দিতে।
একটু সহমর্মিতা, সামান্য আর্থিক সহায়তা কিংবা আপনার একটি শেয়ার বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি তাজা প্রাণ। আসুন, যে যেখানে আছি, যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই মাসুদের পরিবারে।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা:
মাসুদুর রহমানের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা পাঠাতে সরাসরি নিচের ব্যাংক হিসাব বা বিকাশ নম্বর ব্যবহার করতে পারেন:
ব্যাংক হিসাবের নাম: মাসুদুর রহমান
হিসাব নম্বর: ২৩২১৮০۱۰২২৬১৫
ব্যাংকের নাম: সোনালী ব্যাংক পিএলসি
শাখা: মনিরামপুর, যশোর
বিকাশ নম্বর: ০১৭১৪-১৭৮২১২ (ব্যক্তিগত)
হিসাবের নাম: মাসুদুর রহমান














