স্টাফ রিপোর্টার ঃ- তীক্ষ্যে বড় জিনিস। স্ত্রীকে ফেলে রেখে স্ত্রীর ভাইজির সাথে অপকর্ম করতে যেয়ে ধরা খেলেন ভন্ড স্বামী। আটকের ১২ ঘন্টা পর শালিস বৈঠাক বসে।সেখানে মনের দুঃখে ও জ্বালা যন্ত্রনা সইতে না পেরে সকল মায়া মমতা ভুলে গিয়ে অবশেষে শালিসী বৈঠকে স্বামী মিকাইলকে তালাক দিয়ে দীর্ঘ ১৩ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন ১ সন্তানের জননী।। আর মিকাইল স্ত্রীকে তালাক দিয়ে স্ত্রীর ভাইজিকে বউ করে বাড়ি পৌছাতেই গনধুলায়ের স্বীকার হলেন তারা। সোমবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মণিরামপুর উপজেলার খাটুরা গ্রামে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায় খাটুরা গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে মিকাইলের সাথে ১৩ বছর পূর্বে পাশের বাড়ির সালমা খাতুনের বিয়ে হয়।বর্তমান তাদের একটা ১০ বছরের পুত্র সন্তান রয়েছে। কিন্তু তাদের সংসার জীবন কোন দিন শান্তিতে যায়নি। একে একে মিকাল ৫ টি বিয়ে করেছে। সর্বশেষ গত সোমবার গভীর রাতে তার স্ত্রীর ভাইজির কাছে গেলে স্থানীয়রা তাকে ঘরে আটকিয়ে রাখে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হরিহরনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাষ্টার জহুরুল ইসলাম চৌকিদার দিয়ে আটককৃতদের পরিষদে নিয়ে আসে। সেখানে শালিসী বৈঠাকে মিকাইলকে জুতাপিটা করে তার স্ত্রী। এক পর্যায় উভয়ের সম্মতিতে তালাক হয়। তবে পরিষদের শালিস থেকে ঐ তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর ভাইজিকে বউ করে মিকাইল বাড়িতে পৌছানো মাত্রই তাদের উভয়কে পরিবারের লোকজন গনধুলাই দিয়ে তাড়িয়ে দেয় বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু কালাম বলেন, মিকাইল অন্যায় করেছে সাজা পেতেই পারে। তার পরিবার মারপিট করেছে এটা ঠিক করেছে। উল্লেখ্য মিকাইল বাড়িতে স্ত্রী থাকার পরও সে ৫ টি বিয়ে করেছে। আর বর্তমান যাকে বউ করেছে যার ইতি পূর্বে তিন বার বিয়ে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে
চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বলেন, আটকিয়ে রাখার বিষয় জানতে পেরে তাদেরকে পরিষদে আনা হয়। সেখানে তার স্ত্রী এসে নিজেই স্বামী মিকাইলকে তালাক দিতে চাই। সেটাই করা হয়েছে। আর ঐ স্ত্রীর ভাইজির ও মিকাইলের কথামত তারা বিয়ে করেছে তাই তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।














