মোংলায় চেতনানাশক স্পে ও অস্ত্রের সুখর সংখ্যালঘু পরিবারের স্বর্ণাংকার ও মালামাল লুট, ৪ জন অসুস্থ্য

0
255

মোংলা প্রতিনিধি : মোংলায় খাবারের সাথে চেতনানাশক ওষুধ খেয়ে একটি পরিবারের স্বর্ণালংকান ও নগদ টাকা সহ মুল্যবান মালামাল লুট করে নিয়েছে এক দুর্বৃত্তরা। উপজেলার চিলা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাতে অচেতন অবস্থায় ওই পরিবারের চার সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাখাল এলাকার বাসিন্দা ভুক্তভোগী হরেন রায় ও তার ভাই শ্যামল রায় জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে বাড়ীর কর্তা হরেন রায় পাশ্ববর্তী তার চিংড়ি ঘেরে চলে যান। এরপর রাত সাড়ে তিনটার দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার ঘরের পশ্চিম পাশের জানালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা তার স্ত্রী মনোরমা রায়, ছেলে অলোক রায়, রতন রায়, রতন রায়ের স্ত্রী লিনা রায়কে ঘুম থেকে ডেকে সজাগ করেন। এরপর তারা ঘরের লোকজনের গলায় দাঁ ধরে নাকে-মুখে স্প্রে করেন। স্প্রেতে অচেতন হওয়া আগেই দাঁয়ের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা আড়াই লাখ টাকা মুল্যের রুলি, চেইন, কানের দুল, হাতের শাখার বাঁধানো স্বর্ণের গহনা, ল্যাপটপ ও নগদ কয়েক হাজার টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুটে নেয়। পরে শুক্রবার ভোরে হরেন ঘরে এসে দেখেন সবাই অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। পরে তিনি তার ভাই শ্যামলকে সাথে নিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে দেখে বাড়ী নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। হরেন ও শ্যামল বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক বলেছেন, এর কোন চিকিৎসা নেই, তাদেরকে চেতনানাশক স্প্রে করায় ঘুমেরভাব রয়েছে। চেতনাশকের ক্রিয়া কেটে গেলে ঘুমের রেশও কমে যাবে, তখন এমনিতেই তারা চেতন ফিরে পাবেন। এরপর সকালেই হাসপাতাল থেকে আমরা তাদেরকে বাড়ীতে ফিরিয়ে নিয়ে আসি। কিন্তু বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তাদের চেতন হয়নি, এখনও চারজনই অচেতন রয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বর মোঃ ইলিয়াছ হোসেনের বলেন, লোক মারফতে বিষটি শুনেছি তবে ব্যাস্ততান কারণে খোজ খবর নিতে পারেনী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে আমাদেরকে কেউ কিছু জানায়নি, কোন অভিযোগও দেয়নি। তবে ভুক্তভোগীরা জানালে কিংবা অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here