কাজের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন, স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বৃষ্টি উপেক্ষা করে যশোর-মাগুরা মহাসড়ক সংস্কার!

0
210

আক্তারুজ্জামান ফাহিম, খাজুরা থেকে : বৃষ্টির মধ্যেই যশোর-মাগুরা মহাসড়কের খানাখন্দ মেরামতের কাজ চলছে। টেকসই হোক বা না হোক। প্রথমে পানি ভর্তি গর্তে পাথরের টুকরো দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। তারপর সেখানে তরল গরম পিচ ঢেলে দিয়ে বালুচাপা দেয়া হচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে বালু যাচ্ছে সরে। যানবাহনের চাকায় ভেজা পিচ মাখানো পাথর সাথে সাথেই যাচ্ছে উঠে। ফলে কাজের স্থায়িত্ব নিয়ে থেকে যাচ্ছে প্রশ্ন।
যশোর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) বিভাগ বলছে, মহাসড়কে যাতে কোন খানাখন্দ না থাকে সেটি সর্বদা দেখভাল করা হচ্ছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করতে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল থেকেই মহাসড়কের খানাখন্দ সংস্কারের কাজ শুরু করেছে সওজ। বিকেল ৪টার পর কিছু সময়ের বৃষ্টিতে সড়কের হাশিমপুর এলাকায় সংস্কার উপযোগী বিভিন্ন স্থানের খানাখন্দে পানি ভরে গেছে। তবুও পানি ভর্তি খানাখন্দে বিটুমিন দিয়ে অনেকটা দায়সারাভাবে কার্পেটিং করছে সড়ক বিভাগ। তখনও চলছিলো গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। এভাবে সড়ক সংস্কার করায় অসন্তোষ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যানবাহনের চালক ও স্থানীয়রা। স্থানীয় পথচারী আকবর আলী বলেন, ‘দুয়েকদিনের মধ্যেই সড়কের সংস্কার করা গর্তগুলো আবারও আগের জায়গায় ফিরে আসবে। এতে করে সরকারের টাকা অপচয় হবে ঠিকই কিন্ত জনসাধারণ সুফল পাবে না।’সংস্কার কাজ চলাকালে চুল-দাড়িতে মেহেদী দেওয়া এবং সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরিহিত এক ব্যক্তি নিজেকে সওজের লোক হিসেবে পরিচয় দেন (ছবিতে চিহিৃত)। তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজ হচ্ছে। এতো কইফিয়ত কেনো আপনাকে দিতে যাবো।’এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মেহেদী ইকবাল বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে কাজ করাটা ঠিক হয়নি। এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হবে।’ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজ করার বিষয়ে তিনি বলেন, যে এমন মিথ্যাচার করেছেন তার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ^স্ত করেন সওজের এই প্রকৌশলী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here