পাটকেলঘাটার বলরামপুরে অবৈধ চুল্লিতে পোড়ানো হচ্ছে গাছ পরিবেশ দুষিত বন্ধের জন্য ফুসে উঠেছে গ্রামবাসী জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা

0
182

এস.এম মজনু, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) থেকে : পাটকেলঘাটার সিমানা বলরামপুর গ্রামে অবৈধ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানোর এক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব চুল্লি থেকে নির্গত কালো ধোয়ার কারণে এলাকাবাসীর এজমা, শ্বাসকষ্ট, কাশি, ফুসফুসের সমস্যা সহ বিভিন্ন রোগ ব্যাধী ছড়াচ্ছে। এছাড়া এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। উপজেলার বলরামপুর গ্রামে রাজনৈতিক ছত্রছায়ার আড়ালে স্থানীয় প্রভাবশালী শ্যামল সাহা নামের এই ব্যক্তি সারিবদ্ধভাবে তৈরীকৃত ৫টি চুল্লি থেকে কয়লা বানিয়ে দেশের ক্ষতি করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা কয়লা বিক্রয় করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে। এভাবে গাছ উজাড় করে দেশের পরিবেশ হুমকির মুখে। এ বিষয়ে শ্যামল সাহার কাছে সরকারি অনুমোদনের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন এসব কিছুই আমার লাগে না। প্রশাসন আমার পকেটে থাকে। এদিকে প্রশাসন যদি এই অবৈধ চুল্লি বন্ধ না করে তাহলে শত শত এলাকাবাসী অবৈধ চুল্লি উচ্ছেদের ব্যাপারে যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটাতে পারে। এ নিয়ে পত্র পত্রিকায় কয়েকবার লেখালেখি এবং স্থানীয় প্রশাসন তালা নির্বাহী কমকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসকে জানানোর পর আজ যাবো কাল যাবো বলে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এই অবৈধ চুল্লি বন্ধের জন্য এলাকাবাসী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নিকট আহবান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গোলপাতা দিয়ে পাঁচশত ফুট লম্বা ঘর তার ভিতরে সারিবদ্ধভাবে মাটি, ইট ও কাদা মিশিয়ে ৫টি চুল্লি করা হয়। শ্যামল সাহা প্রতি চুল্লিতে দিনে ৩-৪ শত মন কাঠ জ্বালায়। পরে কয়লা বের করে পানি দিয়ে ঠান্ডা করে বস্তা জাত করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হচ্ছেন শ্যামল সাহা। স্থানীয় বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা শংকর কুমার সাহা, বিকন্ড মন্ডল, সুনিল মন্ডল সহ গ্রামের শত শত লোকজন নিষেধ করলেও এই শ্যামল সাহা রাজনৈতিক বিভিন্ন নেতাদের ভয় দেখিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে তার কাজ পরিচালনা করে আসছে। সে গ্রামের কোন মানুষের কথা আমলে নেয় না। উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় অবৈধ ব্যবসা যাচ্ছে শ্যামল সাহা। সরকারী নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে এই ব্যক্তি কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরী করে আসছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here