বিশেষ প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার তালার কুমিরা ইউনিয়ন আওয়ালীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম’র জামায়াত প্রিতির তথ্য পাওয়া গেছে। পাটকেলঘাটা থানার ৩/১৭৯ নং নাশকতা মামলার আসামীদের জামিনের জন্য আদালতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন তিনি। এমনই একটি ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে এখন সাংবাদিক, প্রশাসন সহ সাধারণ মানুষের মোবাইলে শোভা পাচ্ছে। অনেকেই ব্যাঙ্গ করে বলছেন,“ সরিষার মধ্যে ভূত ঢুকে পড়েছে, কোন ঔষধে কাজ হবে কারো জানা নেই”।
সোমবার (২৩ জানুয়ারী) সকালে পাটকেলঘাটা থানার নাশকতা মামলার আসামীদের জামিন করানোর জন্য আদালতে হাজির হন এই রফিকুল ইসলাম। এসময় একজন উৎসুক ব্যক্তি ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও করেন। এই ভিডিওর ২০ সেকেন্ড পার হলে আদালতে আসামীদের সাথে রফিকুলের দেখা যায়।
মামলার তথ্য বিবরণী হতে জানা যায়, গত ৭ ডিসেম্বর রাতে পাটকেলঘাটা থানার এস আই আমির হোসেন বাদী হয়ে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা ৩৫/৪০ জনকে আসামী করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫-ডি সহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনাস্থল যে প্রতিষ্ঠানকে দেখানো হয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানের সভাপতিও এই রফিকুল ইসলাম এবং নাশকতা ঘটানোর মূল পরিকল্পনাকারী ওই মাদ্রাসার সুপার মাও: সাইফুদ্দীন। মামলায় নামিয় আসামীরা সকলে জামায়াত ও বিএনপি’র সক্রিয় নেতাকর্মী।
এই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে হাফিজুর সরদার (৩০), মালেক সরদার (৫৫), সেলিম হোসেন (৪০), মাও: সাইফুদ্দীন (৪৮), আজিজুল সরদার (৪৫), পশ্চিম আঃ হাই মাও: (৪৫), ইদ্রিস আলী মোড়ল (৪৫), জাকির মাও: (৪২) ও আব্দুর রাকিব (৪৮) কে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ সহ অন্যদের বিভিন্ন বিবেচনায় জামিনের আদেশ দেন।
এরআগে উল্লেখিত আসামীরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে ছিল। উচ্চ আদালতের আদেশে তারা নিন্ম আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেন।
এবিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, নাশকতা মামলার আসামীদের পক্ষে আমি নই। তবে সেদনি আমার ব্যক্তিগত কাজে এ্যাড. তপন এর সাথে দেখা করতে গেলে আসামীদের সাথে দেখা হয়েছিল। রাজনৈতিক ভাবে তাকে হেয়পতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াচ্ছেন বলে জানান তিনি।















