কুষ্টিয়ায় ব্যাস্ত সময় পার করছে লেপ-তোষক কারিগররা

0
350

নিজস্ব প্রতিবেদক কুষ্টিয়াঃ শীতের আগমনী বার্তায় কুষ্টিয়ায় লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা।শীত নিবারণের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপ তোষক বানাতে ক্রেতারাও ভীড় করছে দোকানগুলোতে। অনেকেই আবার ব্যস্ত নিজের পুরোনো লেপ-তোষক মেরামতে।ভোরে ও সন্ধা-রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। ফলে যে যার সাধ্যমতো শীত নিবারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।রাতের বিছানায় টেনে নিতে হচ্ছে কাথা বা কম্বল। জানা গেছে,বাজারে প্রতি কেজি শিমুল তুলা ৪০০থেকে ৫০০টাকা।এসব তুলায় বালিশ তৈরি করেন সমাজের ধনী লোকেরা। আর গার্মেন্টস তুলায় বালিশ, লেপ,তোষক বানিয়ে নেন মধ্যবিক্ত ও গ্রামের গরিব মানুষেরা। তবুও বর্তমান বাজারে পাচঁ হাত বাই ছয় হাত লেপ তৈরি করতে ১৭০০টাকার মতো খরচ হচ্ছে। যা গতবারের চেয়ে ২০০থেকে ৩০০টাকা বেশি। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১৬নং ওয়ার্ড মঙ্গলবাড়িয়া এলাকার আফরোজা খাতুন বলেন,এবারে বেশি শীত হতে পারে।তাই আগে ভাগে লেপ তৈরির জন্য দোকানে এসে অর্ডার দিচ্ছি। শীতের শুরুতেই ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে।ক্রেতাদের এ আনাগোনা চলবে পুরো শীত জুড়ে। কুষ্টিয়া বড়বাজার সহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় গিয়ে দেখা যায় লেপ-তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততা। অন্যদিকে শহরের দোকানিরাও অর্ডার নিচ্ছে। ক্রেতাদের বিভিন্ন মানের কাপড় ও তুলা দেখাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কুষ্টিয়ার লেপ-তোষকের কারিগর নাসিরুল ইসলাম বলেন,আমি দীর্ঘ ১৫বছর যাবৎ এই পেশার সাথে জড়িত।প্রকারভেদে একটি লেপ তৈরি করে মজুরি পাই ১৮০ থেকে ২৫০টাকা।এছাড়া তোষক ১৪০থেকে ৩০০টাকা। বালিশ প্রতিটি ২৫টাকা এবং জাজিম তৈরিতে ৪০০টাকা হারে মজুরি নেওয়া হচ্ছে। এই মজুরির হার অন্য সময়ের চাইতে কিছুটা বেশি। একজন কারিগর জানান, শীত পড়তে থাকায় এখন কাজ বেড়েছে,তবে বর্তমানে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিমিসের যে দাম,তাতে এ মজুরি তাদের পোষায় না।মজুরি বাড়ালে তাদের জন্য ভালো হতো।শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের চাপ আরো বাড়বে বলে জানান তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here