স্টাফ রিপোর্টার ,কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহর কালীগঞ্জর জহুরুল হক জহুর (জহুর ডাক্তার) মতিঝিল (ঢাকা) অগ্রনী ব্যাংক শাখা থক ১৫ কাটির টাকার অধিক অর্থ আতসাত করায় ব্যাংকটি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করাসহ তার সম্পদ নিলামে তোলার বিজ্ঞপ্তি দিয় একটি দেনিক পত্রিকায় একটি নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে ।ব্যাংক সূত্র থেকে জানাগছে ,কয়কে বছর পূর্ব শখ জহুরুল এগ্রাফুড প্রডাক্টস ইন্ডাস্ট্রিজ (অটারাইচমিল) নামের একটি কাম্পানীত বিনিয়োগের জন্য অগ্রনী ব্যাংক মতিঝিল শাখা থেকে জহুরুল হক প্রায় ১৪ কাটি টাকা ঋন নেয় ।যে টাকা ২০২৪ সালর জানুয়ারী পূর্বে ১৫ কাটি ২২ লাখ ৩ হাজার ৪৬৯ টাকা ৬৬ পয়সায় এসে দাড়িয়েছে ।গত কয়েক বছর ব্যাংকটি বারংবার তাগিদ দিলেও জহুরুল হক তাতে কর্নপাত করেননি ।সর্বশেষ ব্যাংকটি অর্থঋন আদালতে আইন ২০০৩ এর ৩৩ (১) ধারায় ঝিনাইদহ যুগ্মজেলা জজ ও অর্থঋন আদালতে (২) একটি মামলা দয়ের করে।এরপর গত ২৮ জানুয়ারী ব্যাংকটি তার নিজস্ব বিধি অনুযায়ী জহুর ডাক্তারের বন্ধকী সম্পত্তি নিলাম তালার সিদ্ধান্তনেয় ।
খোজ নিয়ে জানাগেছ ,জহুরুল হক ডাক্তার না হয়েও জহুর ডাক্তার নাম পরিচয় দিতে স্বাছদ বাধ করেন । বিতর্কিত এ ডাক্তারর কালীগঞ্জ শহরে দারুস শেফা নামের একটি প্রাইভট ক্লিনিক আছে ।এ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে প্রসুতি মাকে অস্ত্রপাচারে ভুল চিকিৎসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে ।এছাড়া সরজিমনে দেখা গেছে ,অগ্রনী ব্যাংকের ঋন নিয়ে শখ ট্রাভেল নামের একটি গাড়ির প্রতিষ্ঠান খুলেছেন জহুর ডাক্তার ।শখ ট্রাভেলের ৬ টি বিলাসবহুল যাত্রীবাহী বাস নিয়মিত রাস্তায় চলাচল করছে ।এছাড়া ঝিনাইদহ নলডাঙ্গা এলাকায় ৩০ একর জমি আছে বিতর্কিত এ ডাক্তারের ।নিজ সন্তানদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব রেখেছেন কোটি কোটি টাকা । নিজ সন্তান ডাঃ শহীদের নামে পাশবর্তী মাগুরা জেলায় ৫ তলার একটি ক্লিনিক তরী করেছেন । তুলেছেন কালীগঞ্জ শহর পাইকপাড়া রোডে একটি দুইতলা বিলাসবহুল বাড়ি ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ,শেখ জহুরুল এগ্রাফুড প্রডাক্টস ইন্ডাস্ট্রিজ নামের কাম্পানীর কোন অস্তিত্ব নেই ।শুধু শহরের বেজপাড়া নামক স্থানে একটি ঘরের গেট সাইনবার্ড লাগানো আছে । অভিযোগ আছে ,প্রভাবশালী হওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপর অধিকাংশ সময় তিনি প্রভাব বিস্তার করেন জহুর ডাক্তার ।
এ ব্যাপার জহুরুল হকের সাথে যোগাযোগরে চেষ্টা করা হলে তার ব্যাবহারিত মুঠাফানটি রিসিভ করেননি তিনি ।
জহুরুল হকের সম্পদ নিলামের ব্যাপার অগ্রনী ব্যাংকর জিএম নুরুল হুদা (খুলনা) জানান, ব্যাংক তার নিয়ম অনুযায়ীই কাজ করে । ঋন খেলাপী হলে তার সম্পদ নিলাম উঠবে এটা স্বাভাবিক ।















