সামান্য বৃষ্টিতে মনিরামপুরের পাকা রাস্তায় কাদার প্রলেপ,জনদূর্ভোগ চরমে

0
198

জাহিদ,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ-যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সড়কগুলো পাকা হলেও দেখে বোঝার কোন উপায় নেই যে এগুলো পাকা সড়ক ট্রাকে-ট্রলিতে করে ইটভাটায় নেওয়া মাটি রাস্তার উপরে পড়ে সড়কগুলো কাদা মাটিতে একাকার হয়ে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে,যার ফলে পাকা রাস্তা গুলি মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।মোটরসাইকেলের চাকা স্লীপ করে মারাত্বক দূর্ঘটনার শিকার হয়ে ২ জন আহত হয়েছে।একারনে ইটভাটা মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীদের উপর ক্ষোভ বেড়েছে পথচারীদের।১০ এবং ১১ই মে ২০২৪তারিখে মনিরামপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে রাস্তাগুলোয় এমন দৃশ্য,হঠাৎ বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।এসব রাস্তায় মোটরসাইকেল চালকেরা বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন বলে খবর পাওয়া যায়।বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দিনে এবং রাতে বৃষ্টির পর থেকে রাস্তাগুলোতে কাদা মাটি ভিজে একাকার হয়ে যায়। ফলে এসব রাস্তা দিয়ে সকালে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয় মোটরসাইকেল ও ছোট ছোট গাড়ির চালকরা। পাকা রাস্তার উপর ভেজা কাদা-মাটিতে একাকার হয়ে সৃষ্টি হয়েছে এক মরণ ফাঁদ। এসব রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটে পথ পাড়ি দিতেও চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের।স্থানীয়দের অভিযোগ বছরের পর বছর ধরে কতিপয় ইটভাটার মালিক বা মাটি ব্যবসায়ীদের লাইন্সেবিহীন ট্রাক্টর-ডাম্পার, ট্রলি পাকা রাস্তা দিয়ে নিয়মিত মাটি বহন করে থাকে। এই ট্রলি থেকে মাটি পড়ে রাস্তার বেহাল দশার সৃষ্টি হয়। এই মাটি রোদের সময় ধুলা আর বৃষ্টির সময় পিচ্ছিল কাদায় পরিনত হয়। এখন সামান্য বৃষ্টি হওয়াতে পাকা রাস্তাগুলো কাদা হয়ে পড়েছে। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে এসব রাস্তা এতটাই পিচ্ছিল হয়েছে যে, গাড়ী চলাচল তো দূরের কথা হেটেও চলাচল করা যাচ্ছে না।কাশিপুর গ্রামের আসাদুজ্জামান নামের এক মোটরসাইকেল চালক জানান ইটভাটার কাজে নিয়োজিত মাটিবাহি যানবাহন থেকে রাস্তায় পড়ে যাওয়া মাটি রোদের সময় রাস্তায় শুকিয়ে ধুলা আর বর্ষায় কাঁদা হয়ে থাকে।সড়কের পাশের লোকজন ও ব্যবসায়ীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।ট্রাক্টরের ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বহন করা মাটি সড়কে পড়ে। বেশ কিছুদিন ধরে ধুলায় টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছিল। এখন বৃষ্টি হওয়ায় পাকা রাস্তাগুলো কাদাময় হয়ে পড়েছে। চলাচলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বেড়েছে দুর্ভোগ।দেখে বোঝার উপায় থাকে না এটা পিচের রাস্তা। এজন্যে বছর জুড়েই এই রাস্তায় চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।এলাকাবাসি জানিয়েছেন জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাগুলোতে যদি এখনই কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যায়, আর এ অবস্থা যদি চলতে থাকে, তাহলে এই রাস্তাগুলো মাটি বাহি ট্রলির কারনে একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। বর্ষা হলেই দূর্ভোগ বেশি বাড়ে। এজন্য এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।এ বিষয়ে মাটি বহন করা ট্রলি চালকদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here