কয়রায় প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে বিতর্কিত ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ 

0
374
কয়রা ( খুলনা) প্রতিনিধি ঃ খুলনার কয়রা উপজেলার কালিকাপুর চৌকুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ওই  পদে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একটি অবৈধ ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। যে কারনে অসচ্ছতার অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বিদ্যালয়টিতে গত ২০১৫ সালের জুলাই মাসে সরকারি বিধি মোতাবেক জনবল কাঠামো নিয়ম অনুযায়ী অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে শূন্য হওয়া পদটিতে নিয়োগ বাণিজ্য করবে বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কুমার রায় সুকৌশলে  এডহক কমিটি গঠন করেন এবং তাঁর মনোনীত ব্যক্তি এস এম ইব্রাহিম সাহেবকে অবৈধ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিযুক্ত করবেন বলে অসংখ্য ক্রটিপূর্ণ ভূয়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ও তপসিল ঘোষণা  করেন।  তখন অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী সচেতন অভিভাবক মহল একতাবদ্ধ হয়ে উপজেলা বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালতে অত্র বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ভুয়া ভোটার তালিকা ও তপসিলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। যার দেওয়ানী মামলা নম্বর১০৭। বর্তমানে মামলাটি চলমান। কিন্তু অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আদালত ও রাষ্ট্রীয় আইন অমান্য করে নিজের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে সুকৌশলে আদালতে চলমান মামলার কথা গোপন রেখে ঊর্ধ্বতন মহলকে তথ্যগত ভুল বুঝিয়ে যশোর বোর্ডের নিকট বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন করার জন্য আবেদন করেন এবং সেই পূর্বের মনোনীত ব্যক্তি ইব্রাহিম সাহেবকে অত্র বিদ্যালয়ের অবৈধ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করেন। এবং প্রধান শিক্ষক ও অবৈধ্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কয়েক জনের কাছ থেকে লক্ষ  লক্ষ টাকা  হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । নিয়মবহির্ভূত ও বিতর্কিত ম্যানেজিং কমিটির নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে আবেদন করা থেকে  বঞ্চিত হওয়া আগ্রহী প্রার্থীরা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।
চৌকুনি কালিকাপুর  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  সুজিৎ কুমার রায় বলেন, একটি কুচক্রী মহল তাদের স্বার্থ হাসিল করতে না পারাই বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করে বিভ্রান্তিকর সৃষ্টি করছে।
বিদ্যালয়ের সভাপতি এস এম ইব্রাহিম সাহেব বলেন,   আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পরে আদালতের নির্দেশে নির্বাচন করা হলে অভিভাবকদের ভোটে আমি নির্বাচিত হই। একটি পক্ষ আমাদেরকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করছে তাছাড়া এখানে স্বচ্ছ নিয়োগ হবে। আমাদের শূন্য পদে ২৭ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছে। প্রথম স্থান অধিকার কারী কে আমরা নিয়োগ দিব।##

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here