তালার সংবাদাতা : বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের নেতা বিল্লাল আবারও বেপরোয়া হতে শুরো করেছে। সম্প্রতি বিল্লালের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সংবাদকর্মী নিজের জীবন ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন। প্রকাশ,সাতীরা জেলার তালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আগোলঝাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম গোলদার ছেলে বর্তমান উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি বিল্লাল গোলদার ধরা কে সড়া জ্ঞান মনে করে আবারও শিবির কর্মীদের এক করার চেষ্টা করছেন। তৈরী করছেন নিজস্ব বলায়। সরকার বিরোধী কার্যকালাপ সহ সাধারণ মানুষের হয়রানী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।২০১৭ সালে ২২ ডিসেম্বর বিল্লাল ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক থাকা কালিন জিহাদী বই,দেশীয় অস্ত্র,বোমার তৈরীর সরজ্ঞাম সহ তাকে গ্রেফতার করে তালা থানা পুলিশ।যার মামলা নং:১২,তাং : ২৩.১২.১৭।
নাম প্রকাশে না করার শর্তে বিল্লালের প্রতিবেশীরা জানান, বিল্লাল মানেই এলাকায় ত্রাস, তার আতংকে আতংঙ্কিত এলাকার সাধারণ মানুষ। সে সম্প্রতি উপজেলার শিবির কর্মীদের সংঙ্গবদ্ধ করার লক্ষ্যে আগোলঝাড়া মাদ্রাসার পিছেনে গোপন বৈঠক করেন গভীর রাতে।এমনকি সংবাদ সংগ্রহ করার সময় এক সংবাদকর্মীকে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করে হত্যার হুমকি দিয়েছে বিল্লাল। ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী লিটন হুসাইন জানান, ০৪ই অক্টোবার রবিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে আগোলঝাড়া গ্রামের পেশাগত দায়িত্ব পালনে ল্েয তথ্য সংগ্রহে থাকা অবস্থায় বিল্লাল গোলদার আমার উপর প্তি হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করেন। বিল্লাল বর্তমান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের তালা উপজেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব থাকায় পুনরায় বিকাল আনুমানিক ৫ টার সময় আগোলঝাড়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে পিচের রাস্তার উপর দাড়িয়ে আমাকে একা পেয়ে প্রকাশ্য খুন,জখম ও পরিবারের সদস্যদের দেশিও অস্ত্র, মাদক, বোমা তৈরির সরঞ্জাম দিয়ে তি সাধন সহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করিতে থাকে। এখন আমি ও আমার পারিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।নিরাপত্তাহীনতার জন্য তালা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে। যার নং ২১১ তারিখ ০৬.১০.২০।
অনুসন্ধানে জানা যায়, তালা সদর ইউনিয়নের আগোলঝাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম গোলদার ছেলে বর্তমান উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি বিল্লাল গোলদার উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন শিবির কর্মীদের সাথে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নাশকতা মূলক কর্মকান্ড করেছেন। করেছিলেন সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম হারাম। শুধু এখানে শেষ নই দেশীয় অস্ত্র,বোমা,গোলা বারুদ, বোমা তৈরীর সরজ্ঞাম, নিষিদ্ধ সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিভিন্ন জিহাদী বই শিবির কর্মীদের কাছে প্রেরণ করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলামী ছাত্র শিবির নিষিদ্ধ হওয়ার কারনে কিছুদিন নিশ্চুপ থাকলেও পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন শিবির সভাপতি বিল্লাল। নানন ইস্যু তৈরী করে এলাকার মানুষের হয়রানী করছেন। এলাকার সাধারণ মানুষরা জানান,বিল্লাল ইদানিং শিবির নেতাকর্মীদের সংঙ্গবদ্ধ করছেন। রাতের আধারে বিভিন্ন স্থান মিটিং করছেন। এবং বিল্লাল ও তার পরিবারের সদস্যরা কোন প্রকার কাজ কর্ম না করলেও তাদের সংসার চলছে বহাল তবিয়তে। জনমনে প্রশ্ন তাদের আয়ের উৎস কি ?
অভিযোগের বিষয়ে ছাত্র শিবির সভাপতি বিল্লাল গোলদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বলেন,এ বিষয়ে আমি কোন প্রকার কথা বলতে চাচ্ছি না।














