বসুন্দিয়া প্রতিনিধি ॥ আনন্দনগর গ্রামের মৃত, আঃ রাজ্জাক সামাদ্দারের ছেলে লিটন সামাদ্দার( ৪৮)ও তার বড় ভাই লাকি সামাদ্দারের (৫৬)অর্থ আত্মসাৎ এর প্রমান মিলেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী দেয়ার কথা বলে প্রিয়াঙ্কা নিপা মুক্তার বাবার কাছ থেকে ২৬/১/১৯ইং তারিখে আনুমানিক ২৬০,০০০/এবং ১১/২/১৯ইং তারিখে ২৬০,০০০/ টাকা নিয়ে যায় এই দুই ভন্ড প্রতাড়ক।
তবে, যশোর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই প্রতাড়কের বিরূদ্ধে ৪০৬/৪২০ধারায় মামলাটি করতে বাধ্য হয়, যশোর কোতয়ালী থানাধীন বসুন্দিয়া বাজার মৃত, ছালাম মোল্লা (৪৫)। যার মামলার সি আর ১৪২৪/১৯ আসামি গন ১, লিটন সামাদ্দার ( ৪৮) থানা রূপসা গ্রাম আনন্দ নগর ও বড় ভাই লাকি সামাদ্দার (৫৬)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন সামাদ্দার ও লাকি সাদ্দার দুই ভাই একেঅপরের সহযোগিতায় এধরনের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে দৈর্ঘ কয়েক বছর। এও জানা যায় যে, লিটন সামাদ্দার নিজেই একজন সরকারি চাকূরীজীবি বলে দাবি করেন। এভাবে মাস্টার ব্রেইন চালিয়ে অনেক লোকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলেও জানান লিটন ও লাকি সামাদ্দারের পরিবার । মামলার বাদি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার স্ত্রীর চাচা বাড়ি ও আসামিদের বাড়ির কাছে, সেই সূত্র ধরে তাদের সাথে পারিবারীক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সুযোগে আসামীর লোভটাকে কঠিনভাবে কাজে লাগায় । ভুক্তভুগী প্রিয়াঙ্কা নিপা মুক্তার( ৩২) বাবা সালাম মোল্লা উক্ত ঘটনার কয়েক মাস পর টাকার শোকে মৃত্যু বরন করেন বলে জানান তার পরিবার। মাস্টার মাইন্ড, লিটন সামাদ্দারের স্ত্রীর সাথে কথা বললে জানান, আমার সাথে তার কয়েকটি বছর দেখা হয়না । আর এরকম অনেক লোক আমার বাড়ীতে আসে এধরনের অভিযোগ নিয়ে, স্ত্রী আরো জানান, আমার মতো অনেক স্ত্রী তার আছে যার কারনে আমার খোজ খবর নেয় না। লিটন সামাদ্দারের ফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করলে ফোনটি রিসিভ করেন না।০১৮৯২৫৬৬৪৪৯














