ডেক্স রিপোর্ট ঃ শ্যামনগরের হাওয়ালভাঙ্গী গ্রামের আহম্মদ আলী সরদারের বাড়ীর সামনে খালের উপর কালভার্ট নির্মাণের দাবী উঠেছে। স্থানীয়রা জানান- আটুলিয়া ইউনিয়নের হাওয়ালভাঙ্গী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী সরদারের বাড়ীর সামনে খালের উপর বাঁশের স্যাকোটি দীর্ঘদিন যাবৎ জারজীর্ণ হওয়ায় পারাপারে যাত্রীরা চরম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্যাকোটি দিয়ে চলাচল করছে। যে কোন মুহুর্তে স্যাকো ভেঙ্গে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মক্তবে লেখাপড়া করতে গিয়ে প্রায় ২৫ ফুট জরাজীর্ণ বাঁশের একমাত্র স্যাকো দিয়ে পার হতে হয়। বয়োবৃদ্ধ নারী ও পুরুষ সহ প্রত্যহ হাজার হাজার লোক জরাজীর্ণ বাঁশের স্যাকো দিয়ে ভয়ের মধ্যে পারাপার হয়। খালের পূর্ব পার্শ্বে স্যাকো সংলগ্ন মসজিদ হওয়ায় মুসল্লীরা যথা সময়ে মসজিদে নামাজ পড়তে ও কোমল মতি শিশুরা লেখাপড়া করতে আসা যাওয়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়ে। নিরাপদ সুপেয় খাবার পানির কলস বা ড্রামে করে বা ভারী মালামাল নিয়ে যেতে বাঁশের স্যাকোটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। রোগী বহনে জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসা নিতে দারুন কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্থানটিতে বাঁশের স্যাকো পরিবর্তে কালভার্ট নির্মাণের জন্য জরুরী প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণলয়ের অধীনে যথা স্থানে একটি কালভার্ট নির্মিত হলে খালের দুই পার্শ্বে হাজার হাজার লোকের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব হয়ে অধিকতর সুবিধা পাবে। ফলে ব্যবসা ও চাকুরীর সুবাদে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীতে জরুরী ভিত্তিতে কালভার্টটি নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জগলুল হায়দার, আটুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু সহ প্রশাসনের যথাযথ কর্তৃপরে নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।














