স্টাফ রির্পোটার : মণিরামপুরের হরিহরনগর ইউনিয়নের কাজী রেজিস্টার ফাত্তাহ লুকোচুরি করে বিয়ে পড়ানোর কারণে পিতৃহারা অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক কন্যার জীবন বিপন্ন হতে চলেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মনিরামপুর উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে। জানা যায় উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মুজিবুর রহমানের কলেজ পড়ুয়া প্রতারক পুত্র আজাদুল ইসলাম একই পাড়ার মরহুম আজিজুর রহমানের অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যা বীথির সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমজ সম্পর্ক করে আসছে । এক পর্যায় গত কয়েক মাস পূর্বে গভীর রাতে প্রতারক আজাদুল তার প্রেমিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অতিগোপনে হরিহরনগর ইউনিয়নের কাজী রেজিস্ট্রারের কাছে যায় এবং বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সেই থেকে সবার চোখ ফাকি দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে আজাদুল তার স্ত্রীকে ভোগ দখল করে আসছে। সম্প্রতি বিয়ের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে আজাদুল বিয়ের বিষয় অস্বীকার করেছে। ফলে বীথির জীবন বিপন্ন হতে চলেছে। লোকলজ্জা ও তার স্ত্রী বীথি এসে স্বামীর বাড়ি উঠতে পারে ভেবে প্রতারক আজাদুল আগেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এ বিষয়ে বীথি ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায় , গত রমজানের দুইদিন আগে আজাদুল রাতের আধারে আমাদের বাড়িতে এসে বীথি ও তার ভাইকে সাথে করে নিয়ে হরিহরনগর ইউনিয়নের কাজী রেজিস্টার আব্দুল ফাত্তাহ কাছে যায় এবং বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়েতে আজাদুলের সাী হিসেবে তার দুই বন্ধু এবং বীথির স্বাী তার ভাই ছিল। তারা আরো জানায় বিয়ের সময় রেজিস্টার ভলিয়াম বইতে সবকিছু লেখালেখি ও স্বারের কাজ শেষ হলেও বিথীর বয়স কম থাকায় তখন রেজিস্ট্রি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আজাদুল এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। কারণ সে আগ থেকেই বাড়ি থেকে পালিয়েছে। তবে লোকমুখে শোনো যাচ্ছে আজাদুল প্রচার করছে সে বিয়ে করেনি।
এদিকে বিয়ের কাজী ফাত্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিনিধিকে প্রথমে বলেন, এবিয়ে তো রেজিস্ট্রি হয়ে গেছে। পরে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে জানালে তিনি বলেন এ বিয়ে তো হয়নি, কে বিয়ে পড়াইছে। আমি কোন বিয়ে পড়াই নি।














