প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ফুলের সমারোহ

0
438

জসিম উদ্দিন, শার্শা : প্রকৃতি থেকে শিমুল পলাশ বিদায় নেওয়ার পর নতুন করে আবারও প্রকৃতি সেজেছে কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙের আভায়। প্রকৃতি যেন তার আপন মহিমায় বলে উঠছে রঙ লেগেছে কৃষ্ণচূড়ায়। চৈত্রের খরতাপ কাটিয়ে বৈশাখের আধাআধি সময়েও তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও প্রকৃতিতে আপন লিলায় সাজিয়ে তুলেছে কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ফুলের সমারোহ। কৃষ্ণচূড়ার শাখায় শাখায় পাতায় পাতায় যেনো আগুন লেগেছে। যেদিকে দৃষ্টি যায় সেদিকে কৃষ্ণচূড়ার রঙের আবিরে যেন দৃষ্টি থমকে যাচ্ছে। এ যেন প্রকৃতিতে এক চিরচেনা রুপ। দৃষ্টিনন্দিত রং ছড়ানো এ কৃষাচূড়ার দৃশ্যটি চোখে পড়ছে যশোরের বেনাপোল সহ শার্শা উপজেলার সড়ক পথ কিংবা গ্রামের অলিতে-গলিতে। কৃষ্ণচূড়া আমাদের দেশে বেশ যতেœই লালিত-পালিত হয়। সে যেমন তার অনন্য রূপমাধুরী দিয়ে মানুষের মন ভরিয়ে দিয়েছে। তেমনি মানুষও তাকে ভালোবেসে আপন করে নিয়েছে। স্থান দিয়েছে কাব্যে, হৃদয়ে। তাই কৃষ্ণচূড়াকে আর পর বলে মনে হয় না। আসলে ভালোবাসাই দূরত্ব ঘুচিয়ে দেয় চিরকাল, আপন করে তোলে একে অপরের । কৃষ্ণচূড়ার রঙিন উচ্ছ¡াসে ব্যস্ত পথিকের দৃষ্টি ছুঁয়ে যায়। তাতে মন স্নিগ্ধতার স্পর্শ পায়। আবার কারো কারো মনে পড়িয়ে দেয় কাব্য কথা আর কবি সাহিত্যের লেখা গান ও কবিতার মতো শত শত সুরেলা শব্দ। এভাবে প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়ার আগুন ঝরা রক্তিম ফুলের গুচ্ছ প্রতিবছর প্রকৃতি প্রেমী মানুষের হৃদয়ে প্রকম্পিত করে ফিরে আসে কৃষ্ণচূড়া। সারা জীবন এভাবে কবি হৃদয়ে কাব্য নিয়ে কৃষ্ণচূড়ার আবির্ভাব ঘটবে এমনটাই প্রত্যাশা প্রকৃতি প্রেমী সচেতন মহলের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here