অভয়নগরে ১৪৪ ধারা এড়িয়ে প্রভাবশালীদের বসত ঘর নির্মাণ আদালতে অভিযোগ

0
254

মালিকুজ্জামান কাকা : যশোরের অভয়নগর উপজেলার পুড়াখালী দক্ষিনপাড়ায় আদালতের দেয়া ১৪৪ ধারাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রকি শেখ, ইক্তার শেখ, আঃ গফফার শেখ গং পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এই তিন ব্যক্তি পাকা বাড়ি নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী আব্দুল জব্বার। জমি জবর দখলকারীরা বিকাল, রাতসহ সুবিধামাফিক সময়ে অল্প করে গাঁথুনী তুলে ঘরে লিন্টন পর্যন্ত ঘর তুলেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় জবরদখলকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে ৪/৫টি পাকা দালানঘরের নির্মাণকাজ করছে। সন্ত্রাসী প্রহরায় রেখে তারা এই অপরাধ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৯ মে ভূক্তভোগী ১৮৮ ধারায় আদালত অবমাননার অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ পত্র অনুসারে, অংশীদারী জমির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে বিবাদ থাকায় তা মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত যশোর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। আব্দুল জব্বারের আবেদনে আদালত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। পুড়োখালী মৌজার আওতাধীন আর.এস ১৬৩ নং খতিয়ানের আর.এস দাগ ২০৮১ নং ২২ শতাংশ জমির মধ্যে ১১ শতাংশ. জমির মালিক আব্দুল জব্বার। তবে পেশি শক্তির জোরে রাফি শেখ গং ওই জমি জবর দখল করার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করলেও বিবাদীরা পেশী শক্তির জোরে একই সাথে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা শুরু করে। ভুক্তভোগী আব্দুল জব্বার জানান, তার জমিতে জোর পুর্বক পাকা বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করে রকি শেখ গং। তাদের নিষেধ করলেও তারা নিষেধ আমলে নেয়নি। স্থানীয় শালীষ বিচারও তারা মানেনি। তাই আমি আইনগত সহযোগিতার পেতে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছি। নালিশী জমিতে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু তারা সেই নিষেধাজ্ঞা না মেনে উল্টো সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে চলেছে। তারা ঘরের লিন্টন পর্যন্ত গাথা সম্পন্ন করেছে। কুটি মাহমুদ শেখের পুত্র আঃ গফফার শেখ, গফফারের পুত্র রকি শেখ ও ইক্তার শেখ মিলে এই আদালত অবমাননা করছেন। এদের সাথে গ্রামের ও বহিরাগত কিছু দূষ্কৃতিকারী জোট গড়ে এই অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। ২২ শতক জমির মধ্যে আমার নামীয় জমি ১১ শতক। আমার জমিটি দক্ষিন পাশে ও গফফার শেখের জমি উত্তর পাশে। কিন্ত সে তার জমি বাদ রেখে আমার জমিতে বাড়ি ঘর নির্মান করছে। অথচ ক্রয় দলিল, নাম পত্তন, খাজনা সবই আমার অনুকুলে। তা সর্ত্তেও গায়ের জোরে বিবাদীরা অপরাধ করছেন। ৫নং শ্রীধরপুর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. নাছির উদ্দীন, ৪নং ওয়ার্ড মেম্বর জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনা জানে। গ্রামবাসী জানায়, ঐ চক্রটি নির্মাণ সামগ্রী মজুদ করে রাখে স্থাপনা স্পটের পাশে। তারপর তারা প্রহরায় বাড়ির নির্মাণ কাজ করে। নির্মান কালে অপরিচিত কতজন ৬/৭জন সন্ত্রাসী সেখানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ উপস্থিত থাকে। প্রানভয়ে কেউই তাদের অপকর্মে বাঁধা দিতে পারেনা। এখনো ইটের খোয়া, আস্ত ইট, রড, সিমেন্ট, মজুদ করে রেখেছে ফকিরপাড়া জামে মসজিদের আনুমানিক ১০০ গজ দুরে ঐ চক্রটি নির্মানাধীন ঘরের সামনে। বুধবার যথারিতী তাদের দিনের আলোয় কাজ করতে দেখা গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here