বি এম বাবলুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার:-আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৩ শে সাতক্ষীরা-১ (তালা- কলারোয়া ) আসনে ৬টি পৃথক দলের মনোনয়ন পেয়েছেন ৬জন প্রার্থী। এর মধ্যে অত্যান্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত।
সূত্র মতে জানা গেছে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সহ সাম্প্রতিক নিবন্ধন পাওয়া তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী আছে বলে নাম শোনা যাচ্ছে।
চলমান নির্বাচনে পৃথক ৬টি রাজনৈতিক দলের বিপরীতে ৬ প্রার্থী হিসেবে যারা তাদের নিজের দলের মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন-ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে দলটির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরো সদস্য ও বর্তমান এমপি হাতুড়ি প্রতীকে এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় মহাসচিব এড. ইয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাসদ থেকে ওবায়দুল সুলতান বাবলু ও তৃণমূল বিএনপি থেকে সুমি ইসলাম মনোনয়ন পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
এখন পর্যন্ত প্রত্যেক প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র পেয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১৫ তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হবিবুল আউয়াল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়নের আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি।
তালা কলারোয়া আসনের সাধারণ ভোটাররা মনে করেন মানুষ যদি তাদের ভোট দিতে পারে । নির্বাচন যদি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে এ আসন থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ উন্নয়নের দাবিদার জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রার্থীরা এখন পর্যন্ত কেন্দ্র অবস্থা করেছে,দু এক জন এলাকায় থাকলেও তারা এখন নির্বাচনের পরিবেশ ও নিজেদের ব্যাপারে মুখ খুলতে আগ্রহী নন। কোন দল রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকলেও প্রতিনিয়ত জাতীয় পার্টির তাঁদের দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই আসনের দুই উপজেলায় পথসভা করে যাচ্ছেন।আশাকরা যাই খুব শীঘ্রই সকল প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে।
এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বিভিন্ন আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতারণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। অন্যদের দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষে কোন প্রচার প্রচারণার খবর পাওয়া যায়নি।















