মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে গণপরিবহনের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জানান,
জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী রয়েল এক্সপ্রেস, পূর্বাশা পরিবহন, জে আর পরিবহন, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, দর্শনা ডিলাক্স, গোল্ডেন লাইন, জননী, নদীয়া, সাথী পরিবহন, রেখা পরিবহন, মামুন পরিবহন, শামীম এন্টারপ্রাইজ, নিউ মর্ডাণ পরিবহন, সৌদিয়া পরিবহন এবং বিআরটিসিসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্ট করার কাজ চলছে। পরীক্ষায় কোনো চালক, সুপারভাইজার বা হেলপারের মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুতিসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় বেড়ে যাওয়ায় নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ দূরপাল্লার গণপরিবহনের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্ধারিত সময় পরপর বাধ্যতামূলক ভাবে চালক পরিবর্তন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া দীর্ঘ সময় একটানা গাড়ি চালাতে না দেওয়া, চালকের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে যানবাহন পরিচালনার অনুমতি প্রদান, মাদকাসক্ত, অসুস্থ বা ক্লান্ত অবস্থায় কোনো চালককে গাড়ি চালাতে না দেওয়া, অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া ড্রাইভিং পরিহার করে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, মাদকাসক্ত অবস্থায় যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নিরাপদ ও দুর্ঘটনামুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ নিয়মিত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি পরিবহন খাতে প্রয়োজনীয় তদারকি অব্যাহত রাখবে।
জেলা পুলিশ সকল পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের মাদকমুক্ত থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে যানবাহন পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও দুর্ঘটনামুক্ত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে।














