যশোর অফিস : যশোর, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), যশোর। এ সময় খুলনার ডুমুরিয়া থেকে চুরি যাওয়া একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন যশোর শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়া এলাকার টিপু সুলতানের ছেলে দিদারুল ইসলাম (২৫), সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা উপজেলার মির্জাপুর এলাকার আতিয়ার সরদারের ছেলে ফিরোজ সরদার (২১) এবং একই উপজেলার কেশা এলাকার রুহুল আমিন সরদারের ছেলে শাহাদাত হোসেন ওরফে নাইস (২৩)।
পিবিআই জানায়, গত ২ জুলাই সকাল ৮টার দিকে ইজিবাইকচালক শাকিল হোসেন ডেকোরেশনের মালামাল নিয়ে যশোর শহরের হোটেল ওরিয়ন ইন্টারন্যাশনালে যান। চার খাম্বা মোড়ে হোটেলের সামনে পাকা রাস্তার ওপর ইজিবাইকটি রেখে তিনি তৃতীয় তলায় কাজে যান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাজ শেষে নিচে নেমে ইজিবাইকটি আর দেখতে পাননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করেন। পরে ১১ আগস্ট এ ঘটনায় মামলা হয়।
মামলাটির তদন্তভার পান পিবিআই যশোরের এসআই মিলন মিয়া। যশোর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মো. কামরুজ্জামানের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
পিবিআই জানায়, ১৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দিদারুল ইসলামকে তাঁর ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোরে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা উপজেলার মির্জাপুর এলাকা থেকে ফিরোজ সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফিরোজের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই উপজেলার কেশা এলাকা থেকে শাহাদাত হোসেন ওরফে নাইসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআইয়ের দাবি, শাহাদাতের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে ওই দিন দুপুর সোয়া ২টার দিকে খুলনার ডুমুরিয়া থানার খর্ণিয়া বাজারে ‘মেসার্স তানিয়া অটো গ্যারেজ’ থেকে বাদীর চুরি যাওয়া ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই জানিয়েছে, এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চোরাই ইজিবাইক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।














