অষ্ট্রেলিয়ার গন্ডি পেরিয়ে/ ডুমুরিয়ায় পুষ্টিকর ফল পেপিনো মেননের চাষ

0
294

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, ডুমুরিয়া : অষ্ট্রেলিয়ার গন্ডি পেরিয়ে পেপিনো মেনন পুষ্টিকর ফলের গাছ দেশের মাটিতে। ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের প্রগতিশীল ড্রাগন চাষী রফিকুল ইসলাম। তার বাগানে বিদেশী এ পুষ্টিকর ফলের ৩০টি গাছের কাটিং লাগিয়ে প্রাথমিক চাষাবাদ শুরু করেছে। খুলনার লবনাক্ত এলাকায় এ ধরনের ফলের আবাদ কৃষিতে নুতন দিক উম্মোচিত হবে। কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, ড্রাগন ফল চাষ করে এবছর ভাল লাভবান হয়েছে। নুতন কিছু ফল উৎপাদন করতে খোজ নিয়ে অষ্ট্রেলিয়ান প্রবাসী নীল ফামারীর সেলিম ভাইয়ের কাছ থেকে তিনশত টাকা দরে ৩০পিস ফল গাছের কাটিং এনে গত ৪মাস পূর্বে রোপন করি। প্রাথমিক পর্যায়ে গাছ গুলো বাচাঁনোর জন্য দুই পদ্ধতি গ্রহন করে মাটিতে ও টবে লাগিয়েছি। প্রতিটি গাছ বেঁচে আছে। বর্তমানে গাছ গুলোতে ব্যাপক হারে ফল ধরতে শুরু করেছে। তিনি বলেন লতার মত গাছ মাচা পদ্ধতি গ্রহন করা হয়েছে। এর একটি ফল ২০০থেকে -৫০০গ্রাম পর্যন্ত হযয়মে থাকে। পুষ্টি সমৃদ্ধ এ ধরনের ফল উৎপাদন করে দেশের মানুষের পুষ্টির পাশাপাশি বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করা সম্ভব। দেশে এ ফলের চাষাবাদ কম তবে কাটিং পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করে ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটানো সম্ভব। ড্রাগন ফলের পাশাপাশি এ ফল উৎপাদন ও বিক্রি নিয়ে চিন্তিত নয়। খুলনার সেভ এন্ড সেভ মার্কেটে ভাল দামে বিক্রি করেছি। তিনি নুতন নুতন ফল চাষাবাদ ও উৎপাদন করে বাংলাদেশের কৃষিকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে চান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোচ্ছাদেক হোসেন বলেন, পেপিনো মেনন বিদেশী ফল হলেও এটি আমাদের আবহাওয়া উপযোগী ফল। কৃষক রফিকুল ইসলাম কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রথমবারের মত এটি আবাদ করেছেন। ফল খেতে সুসাধু ও পুষ্টিকর। এখনও পর্যন্ত অবস্থা ভাল এবং ফল গাছের কাটিং করে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here