শেখ সিরাজুদ্দৌলা লিংকন কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি মরা শিরিষ গাছ শিক্ষার্থী ও পথচারীদের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে মরা গাছের ডাল ভেঙে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। তাছাড়া বড় ধরনের বৈদ্যুতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ও ঘটতে পারে এমন অভিযোগ কয়রা সদরের ফুলতলা বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী পথচারী, শিশু শিক্ষার্থী- সহ অভিভাবকদের।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদরের উত্তর মদিনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠের পাশেই প্রায় 20/25 বছর বয়স্ক একটি মরা শিরিষ গাছ শুকনো ডালপালা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচ দিয়ে বিদ্যুতের মেইন তার,মরা গাছটির নিচে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও খাওয়ার পানির টিউবওয়েল, বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে খেলছে। গত 2/3 বছর আগে মারা যাওয়া গাছটির ডালপালাগুলো শুকিয়ে দুর্বল ও ভগ্ন হয়ে গেছে একটু বাতাসের আচ লাগলেই ডালপালা মড় মড় করে ভেঙে পড়ে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাস্তায় চলাচল কারী পথচারীরাসহ ফুলতলা বাজারের ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে । স্কুলের পাশের বাসিন্দা নাজিম উদ্দিন গাজী, ওই গাছের নিচে চায়ের দোকানদার নজরুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা বলেন, গত 20 আগস্ট সন্ধ্যায় বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাসে আকর্ষিক একটা ডাল ভেঙে বিদ্যুতের মেইন তারের উপরে পড়ে তার ছিড়ে আগুন ধরে যায়, মুহুর্তের মধ্যে বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী গ্রামবাসী পথচারী সহ শতাধিক মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাছাড়া একটু বাতাস এলেই ছোট-বড় ডালগুলো ভেঙে ভেঙে পড়ে। মরা গাছটির নিচেই প্রাথমিক বিদ্যালয়টির একমাত্র খাওয়ার পানির টিউবল ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থী ও পথচারীরা টিউবল টি ব্যবহার করছে,গাছটি দ্রুত অপসারণ না হলে গাছের একটি মরা ডালই কাল হতে পারে শিক্ষার্থী গ্রামবাসী ও পথচারীদের জীবন।
ফুলতলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মরা গাছ নিয়ে দীর্ঘদিন আতঙ্কে আছি, মরা গাছটি অপসারণের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে অনেকবার বলা হয়েছে কিন্তু তারা গুরুত্ব দিচ্ছে না। গাছটি অপসারণ না হলে যে কোন মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উত্তর মদিনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিএম আক্তারুল ইসলাম সৌরভ বলেন, দ্রুত গাছটি অপসারন করা হবে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ ইসলামুল হক মিঠু বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না,বিদ্যালয় আঙিনা থেকে মরা গাছটি দ্রুত অপসারণ করা হবে।














