মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার কলেজ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মার্কেটে বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও একটি ট্রাক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের এমপি মতিয়ার রহমান।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় বুধবার দিবাগত রাতে হঠাৎ এই দোকান গুলোতে আগুন লেগে যায়। দোকানের মালিক মিজানুর রহমান জানায় হঠাৎ রাতে টের পেয়ে দেখে দোকানে আগুন। তাৎক্ষণিক ভাবে বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিয়ে বিদ্যুঃ লাইন বিন্ধ করে এবং ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিলে তারা এসে আগুন নিভানোর কাজ করে। অল্প কিছুক্ষণ পানি দেওয়ার পর তাদের পানি ফুরিয়ে যায়। ফলে একে একে ৭ টি দোকান ও একটি ট্রাক পুড়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে ফার্নিচার, মোটরসাইকেল গ্যারেজের মালামাল, ট্রাকের যন্ত্রাংশ সহ মূল্যবান সরঞ্জাম সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও কোটচাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্ আসে। মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ইব্রাহিম হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জে কে ট্রান্সপোর্ট, রুবেল হোল্ডিং, মন্টু সাইকেল স্টোর ও লিটন ফার্নিচার সহ মোট ৭টি দোকান। জে কে ট্রান্সপোর্টের মালিক
আব্দুল কাদের জানান, বহু বছরের কষ্টার্জিত সম্পদ মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে গেছে। তারা এখন চরম বিপদের মধ্যে রয়েছেন। সরকারি সহায়তা কামনা করছেন। ঘটনার খবর পেয়ে বুধবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মতিয়ার রহমান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তত করে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা প্রানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যার আব্দুল হাই ও জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পলাশ, পৌর জামাতের আমির নওফেল প্রমুখ।














