কপিলমুনিতে অনিরাপদ খাদ্য তৈরীঃ দূর্ঘটনার আশংকা

0
107

কপিলমুনি প্রতিনিধি : কপিলমুনি বাজারে অঘোষিত বাস স্টপেজের মাত্র এক গজ দুরে গ্যাসের চুলায় ভাজা হচ্ছে পরাটা ও সিংড়া। অনিরাপদ খাদ্য তৈরীতে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছে এলাকাবাসী।
অভিযোগে প্রকাশ, পাইকগাছা-খুলনা প্রধান সড়কে কপিলমুনি বাজারের প্রাণ কেন্দ্র মেগা সিটি ফুডের সামনে খুলনা অভিমুখে চলমান মিনিবাস ৫/১০ মিনিট দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠানামা করে। মেগা সিটি ফুডের পাশেই রয়েছে ‘দধি ঘর’ নামক মিষ্টির দোকান। ফুটপাতে গ্যাসের চুলায় সার্বক্ষণিক তৈরী করা হচ্ছে পরাটা ও সিংড়া আর ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একেরপর এক এসে দাঁড়ায় মিনিবাস, করে যাত্রী উঠা নামা। মিনিবাস আর গ্যাসের চুলার উপর উতপ্ত তেলের কড়াই এর দুরত্ব মাত্র এক গজ। ফুটন্ত কড়াই এর পাশ দিয়ে ঐ এক গজ ফাঁকা জায়গার মধ্য দিয়ে চলাচল করছে গাড়ীর যাত্রী ও দোকানের খরিদ্দার। মাত্র কয়েকদিন আগে দ্রুতগামী যন্ত্রযান নিয়ন্ত্রন হারিয়ে দধি ঘরের পাশে জুয়েলার্সের দোকানের গেটে আঘাত করে। পাশেই ছিল গ্যাসের সিলিন্ডারসহ উত্তপ্ত তেলের কড়াই পাশে দাঁড়ানো ছিল মিনিবাস। কি ভয়ংকর দৃশ্য চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। ডিজেল চালিত গাড়ীর তেল ও গ্যাসের সিলিন্ডারসহ চুলায় কড়াইয়ের উপর উত্তপ্ত তেল সংমিশ্রনে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। যা দেখার বা বলার কেউ নেই। তা ছাড়া পাইকগাছা থেকে তেড়ে আসা মিনিবাসের ধোঁয়া ও রাস্তার বিশাক্ত ধুলিকনা তৈরীকৃত পরাটা ও সিংড়ায় মিশে হচ্ছে একাকার। এ খাদ্যদ্রব্য খেয়ে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ পেটের পিড়ায়, রাস্তার পাশে খোলামেলা এ সকল খাদ্যদ্রব্য তৈরী বা বিক্রি হওয়ায় জনস্বাস্থ্য মারাত্বক হুমকীর সম্মুখীন। ইতিপূর্বে ছবিসহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেয়নি কোন পদক্ষেপ। কারণ অনুসন্ধানে জানা যায় উপজেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা ২০০ টাকা মাসোহারা নেন। যার ফলে প্রধান সড়কের উপর জন বহুল এলাকায় এ ধরনের কর্মকান্ড দীর্ঘদিন ধরে চললেও কোন দায়িত্ব কর্মকর্তা বা ব্যাক্তির চোখে পড়ে না। এলাকার মানুষ প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here